০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘তদন্তকারীদের হত্যা করতে ‘আয়নাঘরে’ বোমা রাখা হয়েছিল’

  • RA
  • পোষ্টের সময় : ১১:১৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • ৪৭৪ ভিউ :

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, আয়নাঘরে তদন্তে যাওয়া কর্মকর্তাদের হত্যা করার উদ্দেশ্যে সেখানে বোমা পেতে রাখা হয়েছিল।

আজ রোববার দুপুরে ট্রাইব্যুনালে এক শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ তথ্য দেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গুমের মামলাগুলো তদন্ত করছে। টিএফআই সেলের নাম উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সেটার ভেতরে ভূগর্ভস্থ অনেকটা বলা যাবে, সেমি ভূগর্ভস্থ সেলগুলো আবিষ্কার করেছে। যেগুলো ওয়াল তুলে বন্ধ করা হয়েছে। সেই ওয়াল ভাঙতে হয়েছে। পুরো গার্বেজ দিয়ে সেটাকে ভরে রাখা হয়েছে। সেগুলো সরিয়ে ক্রাইম সিনগুলো বের করতে হয়েছে। এবং আপনারা জানেন, এই কাজ করতে গিয়ে স্বয়ং চিফ প্রসিকিউটর তিনি এই ইনভেস্টিগেশন চলাকালে প্রেজেন্ট ছিলেন। আমরা যখন না বুঝে…, সেখানে বোমা ফিট করা ছিল। সেই বোমাগুলোর সঙ্গে টাইমার সেট করা ছিল। আমাদের অ্যাপারেন্টলি বোঝা যায় যে এই ইনভেস্টিগেশন করতে যারা গিয়েছে, তাদের হত্যা করারও চেষ্টা করা হয়েছে।’

পরে এ বিষয়ে আরো প্রশ্ন করা হলে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে আর মন্তব্য করছি না। সময় হলে জানতে পারবেন।’

তাজুল আরো বলেন, ‘এই ট্রাইব্যুনাল যখন আগের রেজিমের সময় ছিল, তখন প্রথম তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ১৬ মাস সময় নিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এ মাসের মধ্যে অন্তত দুটি মামলার ফরমাল চার্জ হয়তো দাখিল করা সম্ভব হবে।’

 

 

 

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ঈশ্বরগঞ্জের সাজ্জাদ রোমন

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়ে ইতিবাচক বাংলাদেশ

11 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

‘তদন্তকারীদের হত্যা করতে ‘আয়নাঘরে’ বোমা রাখা হয়েছিল’

পোষ্টের সময় : ১১:১৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, আয়নাঘরে তদন্তে যাওয়া কর্মকর্তাদের হত্যা করার উদ্দেশ্যে সেখানে বোমা পেতে রাখা হয়েছিল।

আজ রোববার দুপুরে ট্রাইব্যুনালে এক শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ তথ্য দেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গুমের মামলাগুলো তদন্ত করছে। টিএফআই সেলের নাম উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সেটার ভেতরে ভূগর্ভস্থ অনেকটা বলা যাবে, সেমি ভূগর্ভস্থ সেলগুলো আবিষ্কার করেছে। যেগুলো ওয়াল তুলে বন্ধ করা হয়েছে। সেই ওয়াল ভাঙতে হয়েছে। পুরো গার্বেজ দিয়ে সেটাকে ভরে রাখা হয়েছে। সেগুলো সরিয়ে ক্রাইম সিনগুলো বের করতে হয়েছে। এবং আপনারা জানেন, এই কাজ করতে গিয়ে স্বয়ং চিফ প্রসিকিউটর তিনি এই ইনভেস্টিগেশন চলাকালে প্রেজেন্ট ছিলেন। আমরা যখন না বুঝে…, সেখানে বোমা ফিট করা ছিল। সেই বোমাগুলোর সঙ্গে টাইমার সেট করা ছিল। আমাদের অ্যাপারেন্টলি বোঝা যায় যে এই ইনভেস্টিগেশন করতে যারা গিয়েছে, তাদের হত্যা করারও চেষ্টা করা হয়েছে।’

পরে এ বিষয়ে আরো প্রশ্ন করা হলে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে আর মন্তব্য করছি না। সময় হলে জানতে পারবেন।’

তাজুল আরো বলেন, ‘এই ট্রাইব্যুনাল যখন আগের রেজিমের সময় ছিল, তখন প্রথম তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ১৬ মাস সময় নিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এ মাসের মধ্যে অন্তত দুটি মামলার ফরমাল চার্জ হয়তো দাখিল করা সম্ভব হবে।’

 

 

 

 

Share this news as a Photo Card