১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেভাবে অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে হ্যাক করল এআই

 

অস্ট্রেলিয়ার একটি সরকারি স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের একটি এআই এজেন্ট। গত জুনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এটিকে ‘গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির সরকার।

 

অস্ট্রেলিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ জুন ওপেনএআইয়ের একটি এআই এজেন্টকে ইন্টারনেটে ওষুধ ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সরকারি ব্যয়ের তথ্য খুঁজে বের করার কাজ দেওয়া হয়েছিল। তথ্য খুঁজতে গিয়ে এজেন্টটি সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়ার মেডিকেয়ার স্ট্যাটিস্টিকস রিপোর্টিং সার্ভিস পোর্টালে প্রবেশ করে। প্রথমে প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ার পর সেটি বিকল্প উপায়ে ওই পোর্টালের কিছু অংশে অননুমোদিত প্রবেশাধিকার নেয়।

 

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানান, এআই এজেন্টটি পোর্টালের উন্মুক্ত ও অননুমোদিত—দুই ধরনের ফাইলই অ্যাক্সেস করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত মেডিকেয়ার বা স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য accessed হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সরাসরি প্রভাবও সীমিত ছিল।

 

সরকারের তথ্যমতে, পোর্টালটিতে মেডিকেয়ার কর্মসূচি, বাল্ক বিলিং, টিকাদান, ফার্মাসিউটিক্যাল বেনিফিটস স্কিম (পিবিএস), অঙ্গদাতা নিবন্ধন ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরিসংখ্যানের তথ্য ছিল। এসবের বড় অংশই ছিল সামগ্রিক বা সমষ্টিগত তথ্য, যেখানে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে শনাক্ত করার মতো তথ্য ছিল না। তবে কিছু তথ্য ওই সময় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল না।

 

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, এআই এজেন্টটি বারবার বাধার মুখে পড়ার পরও থামেনি। বরং তথ্য পাওয়ার জন্য বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করে নিরাপত্তা সীমা অতিক্রম করে। এ ঘটনায় ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানের সঙ্গে কথা বলে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন তিনি।

 

ঘটনাটি আরও আলোচনায় এসেছে কারণ, এআই এজেন্টের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অস্ট্রেলিয়া সরকারকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। ওপেনএআইয়ের পক্ষ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়ার একটি সাধারণ ই-মেইল ঠিকানায় ঘটনাটি জানানো হয়। পরদিন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা বিষয়টি দেখতে পান এবং ১৫ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ান সিগন্যালস ডিরেক্টরেটকে জানানো হয়।

 

অস্ট্রেলিয়ার সরকার জানিয়েছে, ওপেনএআইয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানোর সময় নিয়ে তারা অসন্তুষ্ট। প্রধানমন্ত্রী আলবানিজও এ বিষয়ে স্যাম অল্টম্যানের সঙ্গে আলোচনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

 

শুধু সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়ার পোর্টাল নয়, একই সময় আরও কয়েকটি অস্ট্রেলীয় ওয়েবসাইটের সঙ্গে ওপেনএআইয়ের এআই মডেলটি যোগাযোগ করেছিল। এর মধ্যে ছিল অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার, ভিক্টোরিয়া ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ এবং নিউ সাউথ ওয়েলস ব্যুরো অব ক্রাইম স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড রিসার্চ। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সাইটে এআই এজেন্টের কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল এবং প্রকাশ্য তথ্যই অ্যাক্সেস করা হয়েছিল।

 

অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড ওয়েলফেয়ারও জানিয়েছে, তাদের ওয়েবসাইটের সঙ্গে ওপেনএআইয়ের একটি এজেন্টের যোগাযোগের বিষয়টি তারা অবগত। তবে এখন পর্যন্ত এজেন্টটি প্রকাশ্য নয়—এমন কোনো তথ্য বা ডেটা অ্যাক্সেস করেছে, এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

ঘটনার পর অস্ট্রেলিয়া সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এআই এজেন্টের কর্মকাণ্ড, সাইবার নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা হলে কীভাবে দ্রুত তা জানানো হবে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়াও আলাদাভাবে ফরেনসিক তদন্ত চালাচ্ছে।

 

অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেন, ঘটনাটির সরাসরি প্রভাব সীমিত হলেও একটি এআই এজেন্টের অননুমোদিতভাবে সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশের ঘটনাটি গুরুতর। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট পোর্টালটি পুরোনো একটি ব্যবস্থা এবং সেখানকার তথ্য এখন নিরাপদ সরকারি প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

ওপেনএআই জানিয়েছে, মডেলগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনার সময় তারা এ ঘটনাটি শনাক্ত করে। প্রতিষ্ঠানের ভাষ্য অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়া-সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নের উত্তর ও পরিসংখ্যান খুঁজতে গিয়ে এআই মডেলটি কয়েকটি সরকারি ওয়েবসাইট ও সেবায় অনিচ্ছাকৃত কর্মকাণ্ড চালায়।

 

বিশ্বজুড়ে এআই এজেন্টের স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন অনলাইন সিস্টেমে প্রবেশের সক্ষমতা নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, তখন অস্ট্রেলিয়ার এই ঘটনা নতুন করে সাইবার নিরাপত্তা ও এআই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা তৈরি করেছে। সম্প্রতি ওপেনএআই ও অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের এআই মডেল নিয়েও অননুমোদিত প্রবেশের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে।

 

অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ঘটনার সব দিক সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণিত ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ঈশ্বরগঞ্জের সাজ্জাদ রোমন

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়ে ইতিবাচক বাংলাদেশ

11 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

যেভাবে অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে হ্যাক করল এআই

পোষ্টের সময় : ০৮:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

অস্ট্রেলিয়ার একটি সরকারি স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের একটি এআই এজেন্ট। গত জুনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এটিকে ‘গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির সরকার।

 

অস্ট্রেলিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ জুন ওপেনএআইয়ের একটি এআই এজেন্টকে ইন্টারনেটে ওষুধ ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সরকারি ব্যয়ের তথ্য খুঁজে বের করার কাজ দেওয়া হয়েছিল। তথ্য খুঁজতে গিয়ে এজেন্টটি সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়ার মেডিকেয়ার স্ট্যাটিস্টিকস রিপোর্টিং সার্ভিস পোর্টালে প্রবেশ করে। প্রথমে প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ার পর সেটি বিকল্প উপায়ে ওই পোর্টালের কিছু অংশে অননুমোদিত প্রবেশাধিকার নেয়।

 

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানান, এআই এজেন্টটি পোর্টালের উন্মুক্ত ও অননুমোদিত—দুই ধরনের ফাইলই অ্যাক্সেস করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত মেডিকেয়ার বা স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য accessed হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সরাসরি প্রভাবও সীমিত ছিল।

 

সরকারের তথ্যমতে, পোর্টালটিতে মেডিকেয়ার কর্মসূচি, বাল্ক বিলিং, টিকাদান, ফার্মাসিউটিক্যাল বেনিফিটস স্কিম (পিবিএস), অঙ্গদাতা নিবন্ধন ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরিসংখ্যানের তথ্য ছিল। এসবের বড় অংশই ছিল সামগ্রিক বা সমষ্টিগত তথ্য, যেখানে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে শনাক্ত করার মতো তথ্য ছিল না। তবে কিছু তথ্য ওই সময় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল না।

 

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, এআই এজেন্টটি বারবার বাধার মুখে পড়ার পরও থামেনি। বরং তথ্য পাওয়ার জন্য বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করে নিরাপত্তা সীমা অতিক্রম করে। এ ঘটনায় ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানের সঙ্গে কথা বলে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন তিনি।

 

ঘটনাটি আরও আলোচনায় এসেছে কারণ, এআই এজেন্টের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অস্ট্রেলিয়া সরকারকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। ওপেনএআইয়ের পক্ষ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়ার একটি সাধারণ ই-মেইল ঠিকানায় ঘটনাটি জানানো হয়। পরদিন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা বিষয়টি দেখতে পান এবং ১৫ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ান সিগন্যালস ডিরেক্টরেটকে জানানো হয়।

 

অস্ট্রেলিয়ার সরকার জানিয়েছে, ওপেনএআইয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানোর সময় নিয়ে তারা অসন্তুষ্ট। প্রধানমন্ত্রী আলবানিজও এ বিষয়ে স্যাম অল্টম্যানের সঙ্গে আলোচনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

 

শুধু সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়ার পোর্টাল নয়, একই সময় আরও কয়েকটি অস্ট্রেলীয় ওয়েবসাইটের সঙ্গে ওপেনএআইয়ের এআই মডেলটি যোগাযোগ করেছিল। এর মধ্যে ছিল অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার, ভিক্টোরিয়া ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ এবং নিউ সাউথ ওয়েলস ব্যুরো অব ক্রাইম স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড রিসার্চ। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সাইটে এআই এজেন্টের কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল এবং প্রকাশ্য তথ্যই অ্যাক্সেস করা হয়েছিল।

 

অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড ওয়েলফেয়ারও জানিয়েছে, তাদের ওয়েবসাইটের সঙ্গে ওপেনএআইয়ের একটি এজেন্টের যোগাযোগের বিষয়টি তারা অবগত। তবে এখন পর্যন্ত এজেন্টটি প্রকাশ্য নয়—এমন কোনো তথ্য বা ডেটা অ্যাক্সেস করেছে, এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

ঘটনার পর অস্ট্রেলিয়া সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এআই এজেন্টের কর্মকাণ্ড, সাইবার নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা হলে কীভাবে দ্রুত তা জানানো হবে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়াও আলাদাভাবে ফরেনসিক তদন্ত চালাচ্ছে।

 

অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেন, ঘটনাটির সরাসরি প্রভাব সীমিত হলেও একটি এআই এজেন্টের অননুমোদিতভাবে সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশের ঘটনাটি গুরুতর। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট পোর্টালটি পুরোনো একটি ব্যবস্থা এবং সেখানকার তথ্য এখন নিরাপদ সরকারি প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

ওপেনএআই জানিয়েছে, মডেলগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনার সময় তারা এ ঘটনাটি শনাক্ত করে। প্রতিষ্ঠানের ভাষ্য অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়া-সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নের উত্তর ও পরিসংখ্যান খুঁজতে গিয়ে এআই মডেলটি কয়েকটি সরকারি ওয়েবসাইট ও সেবায় অনিচ্ছাকৃত কর্মকাণ্ড চালায়।

 

বিশ্বজুড়ে এআই এজেন্টের স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন অনলাইন সিস্টেমে প্রবেশের সক্ষমতা নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, তখন অস্ট্রেলিয়ার এই ঘটনা নতুন করে সাইবার নিরাপত্তা ও এআই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা তৈরি করেছে। সম্প্রতি ওপেনএআই ও অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের এআই মডেল নিয়েও অননুমোদিত প্রবেশের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে।

 

অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ঘটনার সব দিক সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণিত ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

Share this news as a Photo Card