ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৩৫ পিস ইয়াবা ও ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে চোর সন্দেহে আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে। পরে মোট সাতজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঈশ্বরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়। ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—নান্দাইল উপজেলার বারইকান্দা গ্রামের মৃত তারা মিয়ার ছেলে মো. আজিজুল মির্জা (৪৫) এবং লংপুর বাশাটি গ্রামের মৃত জানাল উদ্দিনের ছেলে মো. মাহাবুব মিয়া (৩২) এবং ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ী কলেজ রোড এলাকার খোকন মিয়ার মেয়ে মোছা. শারমিন আক্তার (২৫)। এজাহারে তাঁদের কাছ থেকে মোট ৩৫ পিস গোলাপি রঙের কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর ওজন ৩ দশমিক ৫ গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ১০ হাজার ৫০০ টাকা বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে পুলিশের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে পৃথক অভিযানে ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় চোর সন্দেহে আরও দুজনকে আটক করা হয়।
সব মিলিয়ে মাদক মামলায় পাঁচজন এবং চোর সন্দেহে দুজনসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার ও আটক করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, ‘ঈশ্বরগঞ্জে মাদকবিরোধী ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া চোর সন্দেহে আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে। মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি 









