বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন,বিএনপি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করে। শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে শুধু একটি গ্রামীণ জনপদ আলোকিত হয়নি, মানুষের শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ভবিষ্যতের সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।
শুক্রবার সকালে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা ইউনিয়নের ডুহিখালী ব্রীজ হতে মাঝিয়াইল পর্যন্ত পিডিবির মাধ্যমে ১ কিলোমিটার নতুন বিদ্যুৎ লাইনের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
“তারেক রহমান ঘোষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে” কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি ঋণ মওকুফের কথা উল্লেখ প্রিন্স বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত গ্রামীণ জনপদগুলোকে উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, রাস্তা, সেতু, খাল পুনঃখনন, কৃষি উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আধুনিকায়ন এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফ, ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক প্রণোদনাসহ নানাবিধ সহায়তা করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পদক্ষেপ নিয়েছে তারেক রহমানের সরকার।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার যখন জনকল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করছে, তখন একটি মহল নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে দুরভিসন্ধিমূলক রাজনীতি করছে।
ঢাকার মিরপুরে শিশু রামিসার নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নৃশংস এই ঘটনার পর সরকার আসামি গ্রেফতার করেছে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিয়েছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীকে নিয়ে মিরপুরে রামিসার বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মার সাথে সাক্ষাৎ করে দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় জামায়াত, শিবির ও এনসিপির কর্মীরা পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালায়।
প্রিন্স বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে বিএনপি ধৈর্য ধারণ করছে। বিএনপির এই উদারতাকে দুর্বলতা ভাবলে ভুল হবে। তিনি সরকারের প্রতি নৈরাজ্য সৃষ্টির লক্ষ্যে আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াত-এনসিপির গুপ্ত ষড়যন্ত্র কঠোর হাতে দমন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণ শান্তি চায়। জনগণ আর অস্থিরতা ও নৈরাজ্য চায় না। তারা বিএনপির সাথেই আছে।
অনুষ্ঠানে ধারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন সেলিম, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফকর উদ্দিন, তানভির আহমেদ বুলবুল, সাবেক ইউপি মেম্বার আক্তার হোসেন, মোশাররফ হোসেন, বিএনপি নেতা মোতালেব হোসেন, আকিকুল ইসলাম, চান মিয়া সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গ্রামবাসীর ব্যাপক উপস্থিত ছিলেন।
স্টাফ রিপোর্টার 



















