বাংলাদেশ বেতার ময়মনসিংহে সঙ্গীত বিভাগ চালু ও এর অডিশন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে এক নবদিগন্তের যাত্রার সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই বেতার কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক মোঃ আল-আমিন খান।
বৃহত্তর ময়মনসিংহের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা অন্বেষণের নিমিত্ত গত ১৬ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে নজরুল, রবীন্দ্র, আধুনিক, পল্লীগীতিসহ বিভিন্ন ঘরানার শিল্পী-কলাকুশলী , সুরকার এবং যন্ত্রীদের বাছাইপর্বের সমাপনী দিনে আজ (২৯এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বেতার ময়মনসিংহের আঞ্চলিক পরিচালক এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘বৃহত্তর ময়মনসিংহ শিল্প-সাহিত্যের উর্বরভূমি। এ অঞ্চলের মাটির সাথে মিশে আছে সঙ্গীত।’
এ অঞ্চলের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম হিসেবে বাংলাদেশ বেতার ময়মনসিংহকে তুলে ধরে আল-আমিন খান বলেন, ‘ব্রহ্মপুত্র নদ যেমন ময়মনসিংহের প্রাণ, তেমনি সঙ্গীত এখানকার মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। কিছুদিন পর থেকেই আমাদের বেতার প্রাঙ্গনও শিল্পীদের পদচারণায় মৌ-মৌ করবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ময়মনসিংহের বহু শিল্পী-কলাকুশলীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি বেতারে তালিকাভুক্তির। সেই প্রয়াসেই আমরা সঙ্গীতের ধারক ও বাহকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি মাত্র।
এ বাছাইপর্বে সব বিভাগ মিলিয়ে প্রায় ৭০০ শিল্পী, যন্ত্রী ও সুরকার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ বেতার ময়মসিংহের ওয়েবসাইটে (www.betar.mymensingh.gov.bd) উত্তীর্ণ প্রতিযোগীদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এরপর তাদের পুলিশ ভেরিফিকেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করে আগামী অর্থবছেরর শুরু থেকে সঙ্গীতের রেকর্ডিং চালু হতে পারে।
সঙ্গীত বিভাগের বাছাই কার্যক্রমে বিচারকবৃন্দের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল, ময়মনসিংহের সঙ্গীত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুশান্ত কুমার সরকার, অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী, অধ্যাপক মোঃ জাহিদুল হক, অধ্যাপক দেবাশীষ ব্যাপারী, প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আবু বকর সিদ্দিক, সংগীতশিল্পী লাবলী দেব, সনামধন্য তবলাবাদক বিশ্বজিৎ সরকারসহ প্রমুখ।



















