গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত গণহত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে শেরপুর ও জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শেরপুরে গণজমায়েত ও প্রতিবাদী স্লোগানে মুখরতা
সোমবার (৭ এপ্রিল) সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে থানামোড়ে গিয়ে শেষ হয়। ‘শেরপুরের সকল তৌহিদি জনতা’র ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে হাজারো মানুষ অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন—‘ইসরায়েলের কালো হাত, ভেঙে দাও ভেঙে দাও’, ‘ফিলিস্তিন জিন্দাবাদ’, ‘ইসরায়েলি পণ্য বর্জন করো’, ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার’। এতে পুরো শহরে তৈরি হয় প্রতিবাদী পরিবেশ।
থানামোড়ে অনুষ্ঠিত সংহতি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রহমান, শাহনূর রহমান সায়েম, সঞ্জয় বণিক, শরিফুল ইসলাম সানী, হাসান মেহেদী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, গাজা এখন এক মৃত্যুপুরী। নারী-শিশু-বৃদ্ধ নির্বিশেষে হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষ ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রাণ হারাচ্ছেন। হাসপাতাল, স্কুল, মসজিদ—কোনো কিছুই রেহাই পাচ্ছে না। বক্তারা ইসরায়েলি পণ্য বর্জন, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কঠোর প্রতিবাদ এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপের দাবি জানান।
বকশীগঞ্জে সর্বস্তরের মানুষের প্রতিবাদ
সোমবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে জামালপুরের বকশীগঞ্জে খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরাস্তা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাহজাহান শাওন, অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুল মতিন, সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাশেদী, ছাত্রনেতা শাহরিয়ার আহমেদ সুমন, সাদ আহমেদ রাজু, কারিমুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম রিশাদসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। তারা ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচারের দাবি তোলেন। সেই সঙ্গে ইসরায়েলি পণ্য সম্পূর্ণভাবে বর্জনের আহ্বান জানান বক্তারা।





















