৯ এপ্রিল ত্রায়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্থগিতকৃত শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উল্লেখিত দুই উপজেলার ১২৮টি ভোট কেন্দ্র নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে বলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
একই দিনে বগুড়া উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যে কারণে নির্বাচন কমিশন থেকে এই দুই নির্বাচনে অবাধ ও সুষ্ঠ ভাবে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
৮ এপ্রিল বেলা ১২ টা থেকে দুই উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ৪ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল।
নতুন তফসিল অনুযায়ী এ আসনে বিএনপির মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান ও সমাজতান্ত্রিক দল (মাকসবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন রয়েছে ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনী। এছাড়া নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটসহ পর্যবেক্ষকরাও দায়িত্ব পালন করবেন।
ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল জানায়, প্রশাসন থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার লক্ষ্যে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তাতে আমি সন্তোষ প্রকাশ করেছি। এছাড়া আমি যেহেতু সরকার দলীয় প্রার্থী তাই সরকারের গায়ে যেন কোন কালি লেপন না হয় সেজন্য সতর্ক আছি। তবে জামায়তের প্রার্থী এবং তার কিছু সমর্থক উশৃংখল আচরণ করছেন এবং উগ্র কথাবার্তা বলছে যেন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। তবে শেষ পর্যন্ত প্রশাসন যদি স্টিক থাকে তবে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এবং আমার বিজয় সুনিশ্চিত।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান জানায়, প্রশাসন এবং জেলার রিটার্নিং অফিসার আমাদের যেভাবে আশ্বস্ত করেছে তারা যদি নির্বাচনের দিন তাদের সে কথামতো কাজ করে তাহলে আমি বিপুল ভোটে জয়ী হব ইনশাল্লাহ।
দুটি উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভার মোট ১২৮টি কেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, যার মধ্যে ২৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জ্বালা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ইতিমধ্যে দুই উপজেলায় নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে। ১৬ প্লাটুন বিজিবির পাশাপাশি, ৭টি সেনাবাহিনী টিম, ১০টি র্যাবের টিম, পুলিশ, আনসার সহ প্রতিটা কেন্দ্রে ৬ জন করে আর্মস পুলিশ থাকবে এবং ১৩ জন করে আনসার থাকবে। প্রতিটা ইউনিয়নে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব পর্যবেক্ষণ টিম কাজ করবে।
শেরপুর প্রতিনিধি 




















