দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে সার্বজনীন ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর’। এর মাধ্যমে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে নগদবিহীন ডিজিটাল অর্থনীতির দিকে আরও এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ।
নতুন ব্যবস্থার আওতায় দেশের সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে লেনদেনে গ্রাহকের সর্বোচ্চ খরচ হবে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ‘বাংলা কিউআর’ চালুর ফলে আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়বে, প্রতারণা কমবে এবং নগদ অর্থের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে টাকা ছাপানো ও ব্যবস্থাপনায় সরকারের ব্যয়ও কমে আসবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দোকানে আলাদা আলাদা ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস)-এর কিউআর কোড রাখার প্রয়োজন হবে না। একটিমাত্র ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার করেই যে কোনো ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ থেকে সরাসরি বিক্রেতার অ্যাকাউন্টে অর্থ পরিশোধ করা যাবে।
সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদের মতে, ধীরে ধীরে বড় বিপণিবিতান থেকে শুরু করে ফুটপাতের চায়ের দোকান ও গ্রামের মুদি দোকানেও ‘বাংলা কিউআর’ ছড়িয়ে পড়বে। এতে কাগুজে নোটের ব্যবহার আরও কমে আসবে।
এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১ এপ্রিল জারি করা নির্দেশনায় ৩০ জুনের মধ্যে সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে নিজস্ব কিউআর কোডের পরিবর্তে ‘বাংলা কিউআর’ স্থাপনের নির্দেশ দেয়। ১ জুলাই থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করে নিজস্ব কিউআর কোড বহাল রাখলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে।

স্টাফ রিপোর্টার 






















