০৯:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের সামরিক বাহিনীর তোপে গতিপথ বদলাল মার্কিন রণতরী

 

ইরানের সামরিক বাহিনীর তোপে গতিপথ বদলাতে বাধ্য হয়েছে মার্কিন রণতরী। বুধবার (২৩ জুলাই) পারস্য উপসাগর এ ঘটনা ঘটে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন বলেছে, স্থানীয় সকাল ১০টার দিকে মার্কিন রণতরী ইউএসএস ফিটজেরাল্ড ইরানের নজরদারির আওতায় থাকা জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় ইরানের সেনাবাহিনীর একটি উড়োজাহাজ থেকে ওই রণতরীকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। তখন মার্কিন ওই রণতরী থেকেও পাল্টা হুমকি দেওয়া হয়।

 

ইরানি সংবাদমাধ্যম বলছে, মার্কিন রণতরী থেকে হুমকি দেওয়া সত্ত্বেও ইরানি পাইলট দৃঢ়তার সঙ্গে মিশন চালিয়ে যান এবং ইরানি জলসীমা থেকে দূরে থাকার বিষয়ে পুনরায় সতর্কবার্তা দেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ওই রণতরীকে উপসাগরের দক্ষিণ দিকে পথ পরিবর্তনের আহ্বান জানায় ইরানের সামরিক বাহিনী। এক পর্যায়ে পথ পরিবর্তনে বাধ্য হয় মার্কিন ওই রণতরী।

 

তবে ইরানের সামরিক বাহিনীর এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি মার্কিন নৌবাহিনী। উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ইরানি সামরিক বাহিনীর সংঘাতের ইতিহাস রয়েছে।

 

এর আগে, ২০২৩ সালে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একটি সাবমেরিনকে পানির ওপরে উঠে আসতে বাধ্য করার দাবি করেছিল তেহরান। যদিও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তেহরানের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বিএনপি বদ্ধপরিকর: প্রিন্স

৩৪ লাখ টাকার ঋণ নিয়ে বিপাকে, হালুয়াঘাটে সাজাপ্রাপ্ত নারী গ্রেফতার

07 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ইরানের সামরিক বাহিনীর তোপে গতিপথ বদলাল মার্কিন রণতরী

পোষ্টের সময় : ০৩:৫৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

 

ইরানের সামরিক বাহিনীর তোপে গতিপথ বদলাতে বাধ্য হয়েছে মার্কিন রণতরী। বুধবার (২৩ জুলাই) পারস্য উপসাগর এ ঘটনা ঘটে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন বলেছে, স্থানীয় সকাল ১০টার দিকে মার্কিন রণতরী ইউএসএস ফিটজেরাল্ড ইরানের নজরদারির আওতায় থাকা জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় ইরানের সেনাবাহিনীর একটি উড়োজাহাজ থেকে ওই রণতরীকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। তখন মার্কিন ওই রণতরী থেকেও পাল্টা হুমকি দেওয়া হয়।

 

ইরানি সংবাদমাধ্যম বলছে, মার্কিন রণতরী থেকে হুমকি দেওয়া সত্ত্বেও ইরানি পাইলট দৃঢ়তার সঙ্গে মিশন চালিয়ে যান এবং ইরানি জলসীমা থেকে দূরে থাকার বিষয়ে পুনরায় সতর্কবার্তা দেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ওই রণতরীকে উপসাগরের দক্ষিণ দিকে পথ পরিবর্তনের আহ্বান জানায় ইরানের সামরিক বাহিনী। এক পর্যায়ে পথ পরিবর্তনে বাধ্য হয় মার্কিন ওই রণতরী।

 

তবে ইরানের সামরিক বাহিনীর এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি মার্কিন নৌবাহিনী। উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ইরানি সামরিক বাহিনীর সংঘাতের ইতিহাস রয়েছে।

 

এর আগে, ২০২৩ সালে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একটি সাবমেরিনকে পানির ওপরে উঠে আসতে বাধ্য করার দাবি করেছিল তেহরান। যদিও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তেহরানের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়।

 

Share this news as a Photo Card