ময়মনসিংহে নগরীতে জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে নিহত বিএনপি কর্মী রানা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টিং ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (১৩ জুন) বিকালে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া নিহত রানার বাড়িতে গিয়ে আর্থিক সহায়তা পৌছে দেন আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টিং ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেন নিহত রানার স্ত্রী সোমা আক্তার ও তার পরিবারের লোকজন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, নিহত রানার বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেন, মোফাজ্জল হোসেন, আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মো. চান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. রাব্বিল হাসান রাব্বি, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদল কর্মী বুলবুল আহমেদ, ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহেরসহ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ময়মনসিংহ দক্ষিন জেলা যুবদল নেতা বুলবুল আহমেদ বলেন, মহানগর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি কর্মী প্রয়াত রানার পরিবারকে আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টিং ক্লাবের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রধান করা হয়। আমি বিএনপির নেতাদের কাছে অনুরোধ করে বলতে চাই, রানার পরিবারের প্রতি যেন বিএনপি সুদৃষ্টিতে দেখেন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই দ্রুত রানা হত্যা বিচার হয়।
প্রসঙ্গত, গত ২ জুন বিকাল ৫ টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যাপাড়া গ্রামে রানা মিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে জামায়াত নেতার ছেলে। এ ঘটনায় আহত হয় আরও ৪ জন।
এ ঘটনায় ওই দিন রাতে নিহতের বড় ভাই মোফাজ্জর হোসেন বাদি হয়ে জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলাম মফিদুল ইসলাম মাস্টারসহ ১০ জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা ১২/১২ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রধান আসামী মফিদুল ইসলাম মাস্টার ময়মনসিংহ মহানগর জায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য।
মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মাহমুদুল ইসলাম মাহিন (২০), আলী হোসেনের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (৪০), তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে হূমায়ুন কবীর আকাশ (২৩), চান মিয়ার ছেলে মনিরুল ইসলাম (২৪)। তারা প্রত্যেকেই নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
নিহত রানা মিয়া ওই এলাকার মৃত শরাফ উদ্দিনের ছেলে। সে পেশায় অটোরিকশা চালক ছিল। সে বিএনপির কর্মী ছিল।

স্টাফ রিপোর্টার 
























