০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন রণতরীগুলোর গতি ইরানের দিকে

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে একের পর এক মার্কিন সামরিক জাহাজ ইরানের ভৌগোলিক সীমান্তের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের অন্যতম আধুনিক এবং শক্তিশালী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড-কে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে—আগামী সপ্তাহেই ইউরোপ হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের কাছাকাছি পাঠানো হবে এই রণতরীটি। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে এর অবস্থান নিশ্চিত করার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

 

এই নতুন মোতায়েনের মাধ্যমে ইরানের আশপাশে অবস্থান নেওয়া মার্কিন রণতরীর সংখ্যা দাঁড়াবে তিনটিতে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কেবল কূটনৈতিক চাপ নয়, বরং সামরিক হুমকিরও ইঙ্গিত বহন করে। যুদ্ধবিমানবাহী এই বিশাল রণতরীগুলোর উপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত ইরানের বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে।

 

এরই মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে জেরুজালেম থেকে মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

বিশ্লেষক মহল বলছে, একদিকে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক প্রস্তুতি গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন করে একটি অস্থির ও রণক্ষেত্রময় অঞ্চলে পরিণত করতে পারে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বিএনপি বদ্ধপরিকর: প্রিন্স

৩৪ লাখ টাকার ঋণ নিয়ে বিপাকে, হালুয়াঘাটে সাজাপ্রাপ্ত নারী গ্রেফতার

07 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

মার্কিন রণতরীগুলোর গতি ইরানের দিকে

পোষ্টের সময় : ০২:০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে একের পর এক মার্কিন সামরিক জাহাজ ইরানের ভৌগোলিক সীমান্তের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের অন্যতম আধুনিক এবং শক্তিশালী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড-কে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে—আগামী সপ্তাহেই ইউরোপ হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের কাছাকাছি পাঠানো হবে এই রণতরীটি। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে এর অবস্থান নিশ্চিত করার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

 

এই নতুন মোতায়েনের মাধ্যমে ইরানের আশপাশে অবস্থান নেওয়া মার্কিন রণতরীর সংখ্যা দাঁড়াবে তিনটিতে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কেবল কূটনৈতিক চাপ নয়, বরং সামরিক হুমকিরও ইঙ্গিত বহন করে। যুদ্ধবিমানবাহী এই বিশাল রণতরীগুলোর উপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত ইরানের বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে।

 

এরই মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে জেরুজালেম থেকে মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

বিশ্লেষক মহল বলছে, একদিকে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক প্রস্তুতি গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন করে একটি অস্থির ও রণক্ষেত্রময় অঞ্চলে পরিণত করতে পারে।

Share this news as a Photo Card