রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সচিব মোহাম্মদ খুরশীদ আলম আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বুধবার ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি জামিন প্রার্থনা করেন। তবে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলায় খুরশীদ আলম প্রথম আসামি হিসেবে আত্মসমর্পণ করেছেন। বাকি আসামিরা এখনও পলাতক। এদিন মামলার তিনটি আলাদা মামলায় তিনজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। তাঁরা হলেন—গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জহিরুল ইসলাম, দুদকের পক্ষ থেকে পুতুলের বিরুদ্ধে তদন্তকারী আফনান জান্নাত কেয়া এবং শেখ হাসিনার দুর্নীতি তদন্তে প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন। দুদকের প্রসিকিউটর খান মো. মঈনুল হাসান (লিপন) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৩১ জুলাই আদালত অভিযোগ গঠন ও বিচার শুরু করেন। অভিযোগ গঠন শুনানির সময় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পৃথক তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), বোন শেখ রেহানা, রেহানার সন্তান টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকসহ আরও অনেকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্যরা—কবির আল আসাদ, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক হাফিজুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।
এই মামলাগুলোর ভিত্তিতে দুদক গত জানুয়ারিতে মোট ছয়টি পৃথক মামলা দায়ের করে। সম্প্রতি সব মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 























