০৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তীব্র হচ্ছে ইরানে বিক্ষোভ, কাসেম সোলাইমানির ভাস্কর্য ভাঙচুর

 

ইরানের ফার্স প্রদেশে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির ভাস্কর্য ভেঙে ফেলেছেন বিক্ষোভকারীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চলমান বিক্ষোভের ১১তম দিনে বুধবার (৭ জানুয়ারি) ফার্স প্রদেশে বিক্ষোভকারীরা ভাস্কর্যটি ভাঙচুর করেন।

 

২০২০ সালে ইরাকে এক মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন কাসেম সোলাইমানি। তার হত্যাকাণ্ডের জেরে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল।

 

বুধবার রাতে ইরানে বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকলেও রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।

 

বিক্ষোভের অংশ হিসেবে ইস্ফাহানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট একটি ভবনে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

 

তার্কিস সংবাদমাধ্যম ইয়েনেত নিউজ জানিয়েছে বিক্ষোভকারীর পুলিশের মোটরসাইকেল, রাষ্ট্রীয় টিভি সংশ্লিষ্ট ভবন, গভর্নর অফিস ও সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।

 

ইরানের শেষ শাহ শাসকের ছেলে রেজা পেহলেভির আহ্বানে বৃহস্পতিবার রাস্তায় নেমে আসেন মানুষ। এ সময় তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

 

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে প্রথমে আন্দোলন শুরু করেন। যা টানা ১২দিন ধরে চলছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তীব্র হচ্ছে।

 

সূত্র: ইয়েনেত

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

কাজী নজরুলের সমাধি ফলকে লিখিত কাব্যাংশের অনুপ্রেরণা যে চিঠিতে

দল বা প্রশাসনের কেউ অপরাধে জড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রিন্স

01 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

তীব্র হচ্ছে ইরানে বিক্ষোভ, কাসেম সোলাইমানির ভাস্কর্য ভাঙচুর

পোষ্টের সময় : ১০:৩৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

 

ইরানের ফার্স প্রদেশে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির ভাস্কর্য ভেঙে ফেলেছেন বিক্ষোভকারীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চলমান বিক্ষোভের ১১তম দিনে বুধবার (৭ জানুয়ারি) ফার্স প্রদেশে বিক্ষোভকারীরা ভাস্কর্যটি ভাঙচুর করেন।

 

২০২০ সালে ইরাকে এক মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন কাসেম সোলাইমানি। তার হত্যাকাণ্ডের জেরে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল।

 

বুধবার রাতে ইরানে বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকলেও রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।

 

বিক্ষোভের অংশ হিসেবে ইস্ফাহানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট একটি ভবনে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

 

তার্কিস সংবাদমাধ্যম ইয়েনেত নিউজ জানিয়েছে বিক্ষোভকারীর পুলিশের মোটরসাইকেল, রাষ্ট্রীয় টিভি সংশ্লিষ্ট ভবন, গভর্নর অফিস ও সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।

 

ইরানের শেষ শাহ শাসকের ছেলে রেজা পেহলেভির আহ্বানে বৃহস্পতিবার রাস্তায় নেমে আসেন মানুষ। এ সময় তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

 

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে প্রথমে আন্দোলন শুরু করেন। যা টানা ১২দিন ধরে চলছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তীব্র হচ্ছে।

 

সূত্র: ইয়েনেত

 

Share this news as a Photo Card