১০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে ক্ষুধার্ত শিশুর মুখে হাসি ফোটালেন ডিসি, দিলেন ঘরের আশ্বাস

 

মানবিকতা ও সহমর্মিতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অসহায় শিশু জান্নাত ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিন। শিশুটির মুখে হাসি ফোটানোর পাশাপাশি পরিবারের আবাসন সংকট সমাধানে ঘর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে শিশু জান্নাত তার মায়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বারান্দায় বসে ছিল। বিষয়টি নজরে আসার পর জেলা প্রশাসক শিশুটির সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পারিবারিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। খুব সকালে না খেয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়া শিশুটির প্রতি মমত্ববোধ থেকে তিনি খাবার ও নতুন পোশাক কিনে দেন।

 

এ সময় জান্নাতের পরিবারের আবাসন সংকটের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন জেলা প্রশাসক। অসহায় পরিবারটির দুর্দশা লাঘবে একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

 

জেলা প্রশাসকের এ উদ্যোগে ফুটে উঠেছে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি মানবিক দায়বদ্ধতা এবং প্রশাসনের জনকল্যাণমূলক ভূমিকা। সামান্য সহায়তা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে অসহায় মানুষের জীবনে যে আশার আলো ছড়ানো যায়, এ ঘটনা তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

 

মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসন, শেরপুরের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক ২

04 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

শেরপুরে ক্ষুধার্ত শিশুর মুখে হাসি ফোটালেন ডিসি, দিলেন ঘরের আশ্বাস

পোষ্টের সময় : ০৮:১৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

 

মানবিকতা ও সহমর্মিতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অসহায় শিশু জান্নাত ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিন। শিশুটির মুখে হাসি ফোটানোর পাশাপাশি পরিবারের আবাসন সংকট সমাধানে ঘর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে শিশু জান্নাত তার মায়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বারান্দায় বসে ছিল। বিষয়টি নজরে আসার পর জেলা প্রশাসক শিশুটির সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পারিবারিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। খুব সকালে না খেয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়া শিশুটির প্রতি মমত্ববোধ থেকে তিনি খাবার ও নতুন পোশাক কিনে দেন।

 

এ সময় জান্নাতের পরিবারের আবাসন সংকটের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন জেলা প্রশাসক। অসহায় পরিবারটির দুর্দশা লাঘবে একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

 

জেলা প্রশাসকের এ উদ্যোগে ফুটে উঠেছে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি মানবিক দায়বদ্ধতা এবং প্রশাসনের জনকল্যাণমূলক ভূমিকা। সামান্য সহায়তা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে অসহায় মানুষের জীবনে যে আশার আলো ছড়ানো যায়, এ ঘটনা তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

 

মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসন, শেরপুরের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

 

Share this news as a Photo Card