০২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় তারা মিয়া ফকির হত্যার রহস্য উদঘাটন: গ্রেপ্তার ৪

তারা মিয়া ফকির।

 

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় আলোচিত তারা মিয়া ফকির হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মাদকসেবনের প্রতিবাদ করাই কাল হয় তার। শুক্রবার কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান এই তথ্য জানিয়েছেন।

গত ২১ মার্চ রাতে নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার হন উপজেলার গড়াডোবা ইউপির ওয়াই গ্রমের সবজি বিক্রেতা তারা মিয়া ফকির(৬০)।

ঘটনার দুইদিন পরে নিহতের ছেলে বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামী ছিল অজ্ঞাত। মামলা দায়ের পর কেন্দুয়া থানা পুলিশ তৎপর হয়। এরমধ্যে চার জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃরা হলো, কাটাহুসিয়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে শামীম মিয়া (২৫), ওয়াই গ্রামের নয়ন মিয়া ছেলে আফজাল হোসেন (২৪), জুলহাস মিয়া ছেলে সজল মিয়া (২০), জাবেদ মিয়া ছেলে মোঃ রিয়াজ (২০)।

প্রথমে শামীম মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ আদালতে সোপর্দ করার পাশাপাশি রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এদিকে গ্রামবাসীর সহায়তায় আফজালকে দুইদিন আগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার আদালতে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার স্বীকার করে। কেন হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে এবং তাঁর সহযোগীদের নাম বলে দেয়। তার দেয়া তথ্যমতে সজল মিয়া ও রিয়াজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। নিহত তারা মিয়া ফকির (৬২) স্থানীয় বাশহাটি বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন। এবং তিনি একজন প্রতিবাদী মানুষও ছিলেন। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে মাদকসেবীদের গালমন্দ করতেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে মাদকসেবীরা।

গত ২১ মার্চ রাতে বাজার থেকে ফেরার পথে কাটাহুসিয়া সাকিনস্থ সাতারখালী ব্রীজের পাশে তার গতিরোধ করে নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটিয়ে লাশ ঘুম করতে খালের ভিতরে ফেলে রাখে। পরদিন সকালে পরিবারের লোকজন তাঁর মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, এ পর্যন্ত চারজনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আফজাল হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে। তার তথ্যমতে আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত আসামীরা মাদকসেবী। মাদকসেবনের প্রতিবাদ করার কারণেই তারা মিয়া ফকির খুন হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক ২

04 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

কেন্দুয়ায় তারা মিয়া ফকির হত্যার রহস্য উদঘাটন: গ্রেপ্তার ৪

পোষ্টের সময় : ০১:০০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

 

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় আলোচিত তারা মিয়া ফকির হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মাদকসেবনের প্রতিবাদ করাই কাল হয় তার। শুক্রবার কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান এই তথ্য জানিয়েছেন।

গত ২১ মার্চ রাতে নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার হন উপজেলার গড়াডোবা ইউপির ওয়াই গ্রমের সবজি বিক্রেতা তারা মিয়া ফকির(৬০)।

ঘটনার দুইদিন পরে নিহতের ছেলে বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামী ছিল অজ্ঞাত। মামলা দায়ের পর কেন্দুয়া থানা পুলিশ তৎপর হয়। এরমধ্যে চার জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃরা হলো, কাটাহুসিয়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে শামীম মিয়া (২৫), ওয়াই গ্রামের নয়ন মিয়া ছেলে আফজাল হোসেন (২৪), জুলহাস মিয়া ছেলে সজল মিয়া (২০), জাবেদ মিয়া ছেলে মোঃ রিয়াজ (২০)।

প্রথমে শামীম মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ আদালতে সোপর্দ করার পাশাপাশি রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এদিকে গ্রামবাসীর সহায়তায় আফজালকে দুইদিন আগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার আদালতে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার স্বীকার করে। কেন হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে এবং তাঁর সহযোগীদের নাম বলে দেয়। তার দেয়া তথ্যমতে সজল মিয়া ও রিয়াজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। নিহত তারা মিয়া ফকির (৬২) স্থানীয় বাশহাটি বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন। এবং তিনি একজন প্রতিবাদী মানুষও ছিলেন। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে মাদকসেবীদের গালমন্দ করতেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে মাদকসেবীরা।

গত ২১ মার্চ রাতে বাজার থেকে ফেরার পথে কাটাহুসিয়া সাকিনস্থ সাতারখালী ব্রীজের পাশে তার গতিরোধ করে নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটিয়ে লাশ ঘুম করতে খালের ভিতরে ফেলে রাখে। পরদিন সকালে পরিবারের লোকজন তাঁর মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, এ পর্যন্ত চারজনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আফজাল হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে। তার তথ্যমতে আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত আসামীরা মাদকসেবী। মাদকসেবনের প্রতিবাদ করার কারণেই তারা মিয়া ফকির খুন হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

Share this news as a Photo Card