গাজায় দীর্ঘ ৮০ দিন পর সীমিত পরিমাণে ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সোমবার ফিলিস্তিনের ১৯ লাখের বেশি মানুষের জন্য মাত্র ৯টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আর্মি রেডিও।
আইডিএফের সমন্বয় বিভাগের প্রধান ঘাসান এলিয়ান জানিয়েছেন, ত্রাণবাহী ট্রাকগুলোতে শিশুখাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী ছিল এবং সেগুলো গাজার আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর গুদামে পৌঁছানোর পর জাতিসংঘ ও রেডক্রসের তত্ত্বাবধানে বিতরণ করা হবে।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ২০ লাখ মানুষের এক-তৃতীয়াংশই আগেও ত্রাণনির্ভর ছিল। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি অভিযানের পর ত্রাণের ওপর নির্ভরতা আরও বেড়ে যায়। তবে ইসরায়েল হামাসের হাতে ত্রাণ পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ত্রাণ সরবরাহ অনিয়মিত করে রেখেছে।
খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসার ঘাটতিতে গাজায় মানবিক বিপর্যয় চলছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গোলাবর্ষণে নিহতদের পাশাপাশি দুর্ভিক্ষ ও চিকিৎসার অভাবে প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
ইসরায়েলি অভিযানে এ পর্যন্ত গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫৩ হাজার ১১৯ জন, আহত হয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ২১৪ জন; এদের মধ্যে ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু। দ্বিতীয় দফা অভিযানে মাত্র দুই মাসেই নিহত হয়েছেন প্রায় ৩ হাজার ফিলিস্তিনি।
ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ ছিল ১ মার্চ থেকে, যা এখন আবার সীমিত আকারে চালু হলো। এর আগে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল, দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি ত্রাণ সরবরাহ শুরু করা হবে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


























