১০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইপিএল শিরোপা উৎসব: পায়ের নিচে চাপা পড়ে নিহত ১১

 

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরুতে আইপিএল শিরোপা উৎসবে পায়ের নিচে চাপা পড়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১১ জন, আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫০ জন। বুধবার শহরের এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

 

চলতি আইপিএল আসরে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতে নেয় কর্ণাটকভিত্তিক দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। এই বিজয় উপলক্ষে স্টেডিয়ামে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কয়েক লাখ মানুষ জড়ো হন। গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে পড়ে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে শুরু হয় হুড়োহুড়ি। এতে পদদলনের ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় জনতার চাপে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার বলেন, “আমরা পাঁচ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করেছিলাম। কিন্তু জনতার উচ্ছ্বাসের কথা মাথায় রেখে তাদের কঠোর হতে বারণ করা হয়েছিল।”

 

কর্ণাটক পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নিরাপত্তার জন্য আগের রাত থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে জনতার এমন বিপুল সমাগম অপ্রত্যাশিত ছিল।

 

সরকারি সূত্রে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রী মধুপুরের আনারস চাষীদের ব্যাপারে আন্তরিক: চিনি ও খাদ্য কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান

টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই: প্রিন্স

02 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

আইপিএল শিরোপা উৎসব: পায়ের নিচে চাপা পড়ে নিহত ১১

পোষ্টের সময় : ১২:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

 

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরুতে আইপিএল শিরোপা উৎসবে পায়ের নিচে চাপা পড়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১১ জন, আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫০ জন। বুধবার শহরের এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

 

চলতি আইপিএল আসরে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতে নেয় কর্ণাটকভিত্তিক দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। এই বিজয় উপলক্ষে স্টেডিয়ামে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কয়েক লাখ মানুষ জড়ো হন। গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে পড়ে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে শুরু হয় হুড়োহুড়ি। এতে পদদলনের ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় জনতার চাপে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার বলেন, “আমরা পাঁচ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করেছিলাম। কিন্তু জনতার উচ্ছ্বাসের কথা মাথায় রেখে তাদের কঠোর হতে বারণ করা হয়েছিল।”

 

কর্ণাটক পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নিরাপত্তার জন্য আগের রাত থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে জনতার এমন বিপুল সমাগম অপ্রত্যাশিত ছিল।

 

সরকারি সূত্রে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

Share this news as a Photo Card