০২:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় দুর্গাপুরে বাদাম চাষে ঝুঁকছে চাষি

দুর্গাপুরে বিস্তৃর্ণ মাঠজুরে বাদামের ক্ষেত। ছবি- ব্রহ্মপুত্র এক্মপ্রেস।

যত দূর চোখ যায় শুধু বাদাম ক্ষেত। বাতাসে দোল খাচ্ছে সবুজ ফসল। বিস্তুর্ণ মাঠ জুরে বাদামের চাষ। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কৃষকরা বাদাম চাষে ঝুঁকছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, পুরো উপজেলার ২৫ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি চাষ করা হয়েছে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন এ। ফলন হয়েছে সন্তোষজনক। বালু মাটিতে ধানের ফলন ভালো না হওয়ায় বাদাম চাষে উপযোগী হওয়ায় বাদাম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন অনেকেই।

শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে গেলে কথা হয় গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের উত্তর শংকর পুর গ্রামের কৃষক মো. নূর মোহাম্মদের সঙ্গে। তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে বাদাম চাষাবাদ করে আসছেন। চার এক জমিতে লাখ টাকা খরচ করেছেন তাতে কয়েকগুণ লাভের আশা করছেন।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে ধানের ফলন ভালো হয়না কিন্ত বাদামের ফলন ভালো হয়। আমার ক্ষেতের বাদাম ১৫-২০ দিনের মধ্যে তুলে বাজারজাত করবো। আশা করছি আগের থেকে অনেক বেশি লাভবান হবো।

একই গ্রামের আরেক বাদাম চাষি আব্দুল মান্নান। তিনিও ২০ বছর ধরে বাদাম চাষ করেছেন। তার দেড় একর জমিতে বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ জন্য খুশি তিনি। তবে সেচের সুযোগ সুবিধা পেলে আরও বেশি চাষাবাদ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নিপা বিশ্বাস বলেন, বাদাম লাভজনক আবাদ। অন্যান্য বারের চেয়েও এবার ফলন ভালো হয়েছে। এ বছর বাদাম বিক্রি করে কৃষকরা তাদের খরচ মিটিয়েও প্রায় ৫০ লাখ টাকা লাভবান হবেন আশা করছি।

এ উপজেলায় দুইটি মৌসুমে বাদাম চাষ হয়। তবে বেশি অক্টোবরের শেষের দিকে বীজ বপন করা হয়। সে বীজ থেকে চার মাস পরে বাদাম তোলা হয়। তারপর সাথে সাথেই আবারও বীজ বপন করা হয়।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক ২

04 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় দুর্গাপুরে বাদাম চাষে ঝুঁকছে চাষি

পোষ্টের সময় : ০৩:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

যত দূর চোখ যায় শুধু বাদাম ক্ষেত। বাতাসে দোল খাচ্ছে সবুজ ফসল। বিস্তুর্ণ মাঠ জুরে বাদামের চাষ। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কৃষকরা বাদাম চাষে ঝুঁকছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, পুরো উপজেলার ২৫ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি চাষ করা হয়েছে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন এ। ফলন হয়েছে সন্তোষজনক। বালু মাটিতে ধানের ফলন ভালো না হওয়ায় বাদাম চাষে উপযোগী হওয়ায় বাদাম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন অনেকেই।

শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে গেলে কথা হয় গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের উত্তর শংকর পুর গ্রামের কৃষক মো. নূর মোহাম্মদের সঙ্গে। তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে বাদাম চাষাবাদ করে আসছেন। চার এক জমিতে লাখ টাকা খরচ করেছেন তাতে কয়েকগুণ লাভের আশা করছেন।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে ধানের ফলন ভালো হয়না কিন্ত বাদামের ফলন ভালো হয়। আমার ক্ষেতের বাদাম ১৫-২০ দিনের মধ্যে তুলে বাজারজাত করবো। আশা করছি আগের থেকে অনেক বেশি লাভবান হবো।

একই গ্রামের আরেক বাদাম চাষি আব্দুল মান্নান। তিনিও ২০ বছর ধরে বাদাম চাষ করেছেন। তার দেড় একর জমিতে বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ জন্য খুশি তিনি। তবে সেচের সুযোগ সুবিধা পেলে আরও বেশি চাষাবাদ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নিপা বিশ্বাস বলেন, বাদাম লাভজনক আবাদ। অন্যান্য বারের চেয়েও এবার ফলন ভালো হয়েছে। এ বছর বাদাম বিক্রি করে কৃষকরা তাদের খরচ মিটিয়েও প্রায় ৫০ লাখ টাকা লাভবান হবেন আশা করছি।

এ উপজেলায় দুইটি মৌসুমে বাদাম চাষ হয়। তবে বেশি অক্টোবরের শেষের দিকে বীজ বপন করা হয়। সে বীজ থেকে চার মাস পরে বাদাম তোলা হয়। তারপর সাথে সাথেই আবারও বীজ বপন করা হয়।

 

Share this news as a Photo Card