০৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাম উপসর্গে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরো ২ শিশুর মৃত্যু

 

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৬ শিশু।

 

রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মো. মাইনউদ্দিন খান এ তথ্য জানান।

 

তিনি বলেন, “মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে একজনের বয়স ১০ মাস। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলায়। গত ২২ মার্চ তাকে হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপর শিশুটির বয়স ৯ মাস। তার বাড়ি জেলার গৌরিপুর উপজেলায়। তাকে ১১ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশু দুটি হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল।”

 

বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে ৭৩ শিশু। গত ১৭ মার্চ থেকে হাসপাতালে হাম রোগ নিয়ে এ পর্যন্ত ৩৯৭ শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১২ শিশু। মারা গেছে ১২ শিশু।

 

চিকিৎসকরা জানান, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় এটি হাঁচি-কাশি বা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে দ্রুত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক শিশু হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া নিয়ে হাসপাতালে আসছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

বকশীগঞ্জে কৃষি বিভাগের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

সংগীত উৎসবে মদ নিষিদ্ধ করল ফ্রান্স

21 June 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

হাম উপসর্গে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরো ২ শিশুর মৃত্যু

পোষ্টের সময় : ১১:২৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

 

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৬ শিশু।

 

রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মো. মাইনউদ্দিন খান এ তথ্য জানান।

 

তিনি বলেন, “মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে একজনের বয়স ১০ মাস। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলায়। গত ২২ মার্চ তাকে হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপর শিশুটির বয়স ৯ মাস। তার বাড়ি জেলার গৌরিপুর উপজেলায়। তাকে ১১ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশু দুটি হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল।”

 

বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে ৭৩ শিশু। গত ১৭ মার্চ থেকে হাসপাতালে হাম রোগ নিয়ে এ পর্যন্ত ৩৯৭ শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১২ শিশু। মারা গেছে ১২ শিশু।

 

চিকিৎসকরা জানান, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় এটি হাঁচি-কাশি বা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে দ্রুত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক শিশু হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া নিয়ে হাসপাতালে আসছে।

 

Share this news as a Photo Card