০৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিউবায় যে কোনো সময় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

 

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ কিউবায় যে কোনো সময় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এক্সিওস।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিউবার সরকারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছেন। আর তিনি দেশটিতে হামলার যে হুমকি দিচ্ছেন সেটি বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

 

১৯৬২ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও বর্তমান রাশিয়া কিউবায় পারমাণবিক মিসাইল মোতায়েন করে। যা জানতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর তারা কিউবার ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করে। নিজেদের ভূখণ্ড থেকে কিউবা কাছে হওয়ায় পারমাণবিক মিসাইল মোতায়েনকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে দেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

 

এখন ট্রাম্প যদি দেশটিতে হামলা চালান তাহলে ১৯৬২ সালের পর দুই দেশের মধ্যে এটি হবে সবচেয়ে বড় দ্বন্দ্ব।

 

গত সপ্তাহে সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, গত ফেব্রুয়ারি থেকে কিউবার ওপর নজরদারি বিমান চালানো বৃদ্ধি করে যুক্তরাষ্ট্র।

 

এরমধ্যে গত সপ্তাহে দেশটির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিনিরা। কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এর জেরে বলেন, গণহত্যার উদ্দেশ্যে এটি সাধারণ মানুষের ওপর সামগ্রিক শাস্তি।

 

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধের কারণে কিউবার অবস্থা গত কয়েক মাসে অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে।

 

চলতি মাসের শুরুতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সেনারা অপহরণের পর কিউবার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। কারণ ভেনেজুয়েলা থেকেই নিজেদের চাহিদার বেশিরভাগ তেল পেত দেশটি।

 

এক্সিওসের প্রতিবেদনে আবার বলা হয়েছে, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা জানিয়েছেন, ট্রাম্প তাকে ব্যক্তিগতভাবে বলেছেন, কিউবায় হামলার কোনো পরিকল্পনা তার নেই।

 

কিন্তু গত শুক্রবার ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফেরা একটি রণতরীকে কিউবার কাছে মোতায়েন করা হতে পারে। ট্রাম্প তার কাছের লোকদের বলেন, রণতরী মোতায়েন এবং সেটি কিউবার কাছে নিয়ে গেলে দেশটি আত্মসমর্পণ করবে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে কিউবায় হামলার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তার মনোযোগ ইরানে নিয়ে গেলে তখন আর হামলা হয়নি।

 

সূত্র: এক্সিওস

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ইরানে ‘গোপনে হামলা চালিয়েছিল’ আরব আমিরাত

ফুলপুরে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের সংগঠন 'ফারিয়া'র মানববন্ধন

11 May 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

কিউবায় যে কোনো সময় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

পোষ্টের সময় : ০১:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

 

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ কিউবায় যে কোনো সময় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এক্সিওস।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিউবার সরকারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছেন। আর তিনি দেশটিতে হামলার যে হুমকি দিচ্ছেন সেটি বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

 

১৯৬২ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও বর্তমান রাশিয়া কিউবায় পারমাণবিক মিসাইল মোতায়েন করে। যা জানতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর তারা কিউবার ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করে। নিজেদের ভূখণ্ড থেকে কিউবা কাছে হওয়ায় পারমাণবিক মিসাইল মোতায়েনকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে দেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

 

এখন ট্রাম্প যদি দেশটিতে হামলা চালান তাহলে ১৯৬২ সালের পর দুই দেশের মধ্যে এটি হবে সবচেয়ে বড় দ্বন্দ্ব।

 

গত সপ্তাহে সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, গত ফেব্রুয়ারি থেকে কিউবার ওপর নজরদারি বিমান চালানো বৃদ্ধি করে যুক্তরাষ্ট্র।

 

এরমধ্যে গত সপ্তাহে দেশটির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিনিরা। কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এর জেরে বলেন, গণহত্যার উদ্দেশ্যে এটি সাধারণ মানুষের ওপর সামগ্রিক শাস্তি।

 

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধের কারণে কিউবার অবস্থা গত কয়েক মাসে অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে।

 

চলতি মাসের শুরুতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সেনারা অপহরণের পর কিউবার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। কারণ ভেনেজুয়েলা থেকেই নিজেদের চাহিদার বেশিরভাগ তেল পেত দেশটি।

 

এক্সিওসের প্রতিবেদনে আবার বলা হয়েছে, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা জানিয়েছেন, ট্রাম্প তাকে ব্যক্তিগতভাবে বলেছেন, কিউবায় হামলার কোনো পরিকল্পনা তার নেই।

 

কিন্তু গত শুক্রবার ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফেরা একটি রণতরীকে কিউবার কাছে মোতায়েন করা হতে পারে। ট্রাম্প তার কাছের লোকদের বলেন, রণতরী মোতায়েন এবং সেটি কিউবার কাছে নিয়ে গেলে দেশটি আত্মসমর্পণ করবে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে কিউবায় হামলার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তার মনোযোগ ইরানে নিয়ে গেলে তখন আর হামলা হয়নি।

 

সূত্র: এক্সিওস

 

Share this news as a Photo Card