কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহতের ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। গতকাল শনিবার রাত ৩টার দিকে দুর্ঘটনার পর থেকে মেইল ট্রেনটি দুর্ঘটনাস্থলে আটকে আছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন আনা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত সময়ের মধ্যেই রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করবে।’
ঈদের দিন এই মেইল ট্রেনটিই চলাচল করে জানিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঈদের পরদিন থেকে সব ট্রেন শিডিউল অনুযায়ী চলাচল করে। যেহেতু ঈদের দিন রাতে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেহেতু কোথাও কোনো ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় কিংবা ট্রেন আটকে থাকার ঘটনা ঘটেনি। ঢাকা এবং চট্টগ্রাম থেকে শিডিউল অনুযায়ী যেসব ট্রেন ছাড়বে, সেগুলো কুমিল্লায় পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগবে। আশা করা হচ্ছে, ততক্ষণে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মামুন পরিবহনের একটি বাস লক্ষ্মীপুর যাচ্ছিল। পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং অতিক্রমের সময় ঢাকা থেকে আসা চট্টগ্রাম মেইল ট্রেনের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটির মাঝামাঝি অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান বাসের ১২ যাত্রী।
স্টাফ রিপোর্টার 



















