বাংলাদেশ ও জার্মানি সোমবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাডাপ্টেড ড্রিংকিং ওয়াটার রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট ঢাকা-২ (সায়েদাবাদ ডব্লিউটিপি ফেজ-৩)’ প্রকল্পের জন্য মোট ১৬০ মিলিয়ন ইউরোর দুটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
চুক্তির মধ্যে রয়েছে মূল ঋণ ৯০ মিলিয়ন ইউরো এবং অতিরিক্ত ৭০ মিলিয়ন ইউরো ঋণ। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শারিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং জার্মান সরকারের কেএফডব্লিউ ফ্রাঙ্কফুর্টের দক্ষিণ এশিয়া নগর উন্নয়ন বিভাগের প্রধান কার্লা বার্কে ও প্রিন্সিপাল পোর্টফোলিও ম্যানেজার স্টেফানি ক্লাপেনবাখ স্বাক্ষর করেন।
প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও জনবান্ধব পানি সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করা এবং ভূ-পৃষ্ঠের পানির ওপর নির্ভরতা কমানো। প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর আরডিপিপি গত ২৩ মার্চ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।
মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১৬ হাজার ১৪.৮৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৪ হাজার ৫৩৬.১৭ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ ১১ হাজার ৪৪৮.৬৬ কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল ৩০ কোটি টাকা। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ১ জুলাই ২০১৫ থেকে ৩০ জুন ২০২৯ পর্যন্ত।
অতিরিক্ত ৭০ মিলিয়ন ইউরো ঋণ হাড়িয়ায় মেঘনা নদীর ওপর একটি অপরিশোধিত পানি গ্রহণকেন্দ্র ও পাম্পিং স্টেশন, ২৬ কিমি পানি পরিবহন পাইপলাইন এবং ৫৪ কিমি প্রাথমিক পানি বিতরণ নেটওয়ার্ক নির্মাণে ব্যবহার হবে। এই অতিরিক্ত অর্থায়নের কারণে মূল ঋণ চুক্তির সময়সীমা ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
জার্মানি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। বর্তমানে কেএফডব্লিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বাংলাদেশে ১৩টি প্রকল্পে অর্থায়ন করছে, যার মধ্যে ৬৪৭.৫০ মিলিয়ন ইউরো ঋণ এবং ১৭০ মিলিয়ন ইউরো অনুদান অন্তর্ভুক্ত।
স্টাফ রিপোর্টার 



















