০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাইফয়েড টিকাদানে জেলায় ৯৯ শতাংশ সফলতা

 

জেলায় চলমান টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত পরিকল্পনায় থাকা চার লাখ ২৯ হাজার ৮৮২ শিশুর মধ্যে চার লাখ ২৪ হাজার ৬৬১ জনকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৯ শতাংশ।

 

নয় মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য দুই ধাপে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয় ১২ অক্টোবর। প্রথম ধাপে ১২ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্কুলভিত্তিক টিকাদান পরিচালিত হয়। জেলার এক হাজার ৫৮৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট দুই লাখ ৯৯ হাজার ৩৪২ জন শিক্ষার্থীকে লক্ষ্য ধরা হলেও টিকা নিতে আসে দুই লাখ ৮৬ হাজার ২৪৮ জন।

 

দ্বিতীয় ধাপে কমিউনিটি পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয় ১ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এ সময় জেলার এক হাজার ৭৫২টি টিকাদান কেন্দ্রে এক লাখ ৩০ হাজার ৫৪১ শিশু টিকা পাওয়ার কথা থাকলেও টিকা গ্রহণ করে এক লাখ ৩৮ হাজার ৪১৩ শিশু। দুই ধাপ মিলিয়ে মোট চার লাখ ২৪ হাজার ৬৬১ শিশু টিকাদানের আওতায় এসেছে।

 

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মুক্তাদির আরেফীন জানান, নির্ধারিত সব শিশুকে টিকার আওতায় আনার জন্য বিস্তৃত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবীকে যুক্ত করে একাধিক ওরিয়েন্টেশন আয়োজন, প্রচারণা, মাইকিং এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

বাবা-মাকে পেটালো প্রতিপক্ষরা, কান্নায় ভেঙে পড়লেন একমাত্র ছেলে

মেধা ও উদ্ভাবনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ময়মনসিংহের তরুণ গবেষক স্বরন

18 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

টাইফয়েড টিকাদানে জেলায় ৯৯ শতাংশ সফলতা

পোষ্টের সময় : ০২:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

 

জেলায় চলমান টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত পরিকল্পনায় থাকা চার লাখ ২৯ হাজার ৮৮২ শিশুর মধ্যে চার লাখ ২৪ হাজার ৬৬১ জনকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৯ শতাংশ।

 

নয় মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য দুই ধাপে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয় ১২ অক্টোবর। প্রথম ধাপে ১২ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্কুলভিত্তিক টিকাদান পরিচালিত হয়। জেলার এক হাজার ৫৮৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট দুই লাখ ৯৯ হাজার ৩৪২ জন শিক্ষার্থীকে লক্ষ্য ধরা হলেও টিকা নিতে আসে দুই লাখ ৮৬ হাজার ২৪৮ জন।

 

দ্বিতীয় ধাপে কমিউনিটি পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয় ১ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এ সময় জেলার এক হাজার ৭৫২টি টিকাদান কেন্দ্রে এক লাখ ৩০ হাজার ৫৪১ শিশু টিকা পাওয়ার কথা থাকলেও টিকা গ্রহণ করে এক লাখ ৩৮ হাজার ৪১৩ শিশু। দুই ধাপ মিলিয়ে মোট চার লাখ ২৪ হাজার ৬৬১ শিশু টিকাদানের আওতায় এসেছে।

 

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মুক্তাদির আরেফীন জানান, নির্ধারিত সব শিশুকে টিকার আওতায় আনার জন্য বিস্তৃত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবীকে যুক্ত করে একাধিক ওরিয়েন্টেশন আয়োজন, প্রচারণা, মাইকিং এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card