১২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য উপাসনাস্থল উদ্বোধন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুদ্বীপে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য নির্মিতব্য উপাসনাস্থল এর নামফলক উম্মোচনের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) সকালে এই উপাসনাস্থলের উদ্বোধন করা হয়।

উপাসনাস্থল উদ্বোধনকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘এই উপাসনাস্থল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সম্প্রীতির বাংলাদেশ হিসেবে কবি নজরুলের দর্শনকে প্রমাণ করতে পারলাম। আমরা যতদিন থাকবো সকল ধর্মের মানুষের মাঝে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের শুরু থেকেই উপাসনালয়ের দাবি করা হয়েছিল, বিশেষ করে সনাতন ধর্মের পক্ষ থেকে বেশি দাবি ছিল। তবে শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগোছালো অবস্থা থাকায় গুছিয়ে উঠতে কিছু সময় লেগেছে। আর সেকারণেই উপাসনাস্থল তৈরিতেও কিছুটা সময় অতিবাহিত হয়েছে। যাই হোক বিভিন্ন ধর্মের উপাসনাস্থল উদ্বোধন করতে পেরে আমি কিছুটা হলেও স্বস্তি বোধ করছি। কারণ এখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ উপাসনালয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় কার্যাবলী সম্পাদন করতে পারবেন, যা জীবনের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন। উপাসনাস্থলটি এখনো অসর্ম্পূণ এবং বিভিন্ন কাজ অবশিষ্ট রয়েছে। আরো সময় নিয়ে হলেও সুন্দরভাবে সকল কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হবে।’

উপাসনাস্থলটি তৈরিতে যারা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলকে উপাচার্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করেন।

উপাসনাস্থল উদ্বোধনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান ও চারুকলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. তপন কুমার সরকার বক্তব্য রাখেন। সনাতন ধর্মের পক্ষ থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী বিপ্লব দাশ, খৃষ্টান ধর্মের পক্ষ হতে লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রাবণ চিছা এবং বৌদ্ধ ধর্মের পক্ষ হতে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী সুবেশ চাকমা বক্তব্য রাখেন।

দীর্ঘদিনের দাবি থাকলেও বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার স্বল্প সময়ের মাঝেই উপাসনাস্থল পাওয়ায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ মাননীয় উপাচার্যসহ বর্তমান প্রশাসনের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। উদ্বোধনকালে হলের প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভাগীয় ও দপ্তর প্রধানগণসহ শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পাশাপাশি নির্মিতব্য তিনটি ভবনের একটি সনাতন, একটি বৌদ্ধ ও একটি ভবন খৃষ্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

কেন্দুয়ায় ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযান, অর্থদণ্ড ১ লাখ টাকা

যুদ্ধের প্রস্তুতি জোরদারে বাহরাইনে ৬ মুসলিম দেশের সামরিক মহড়া

30 July 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য উপাসনাস্থল উদ্বোধন

পোষ্টের সময় : ০২:০৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুদ্বীপে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য নির্মিতব্য উপাসনাস্থল এর নামফলক উম্মোচনের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) সকালে এই উপাসনাস্থলের উদ্বোধন করা হয়।

উপাসনাস্থল উদ্বোধনকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘এই উপাসনাস্থল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সম্প্রীতির বাংলাদেশ হিসেবে কবি নজরুলের দর্শনকে প্রমাণ করতে পারলাম। আমরা যতদিন থাকবো সকল ধর্মের মানুষের মাঝে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের শুরু থেকেই উপাসনালয়ের দাবি করা হয়েছিল, বিশেষ করে সনাতন ধর্মের পক্ষ থেকে বেশি দাবি ছিল। তবে শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগোছালো অবস্থা থাকায় গুছিয়ে উঠতে কিছু সময় লেগেছে। আর সেকারণেই উপাসনাস্থল তৈরিতেও কিছুটা সময় অতিবাহিত হয়েছে। যাই হোক বিভিন্ন ধর্মের উপাসনাস্থল উদ্বোধন করতে পেরে আমি কিছুটা হলেও স্বস্তি বোধ করছি। কারণ এখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ উপাসনালয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় কার্যাবলী সম্পাদন করতে পারবেন, যা জীবনের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন। উপাসনাস্থলটি এখনো অসর্ম্পূণ এবং বিভিন্ন কাজ অবশিষ্ট রয়েছে। আরো সময় নিয়ে হলেও সুন্দরভাবে সকল কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হবে।’

উপাসনাস্থলটি তৈরিতে যারা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলকে উপাচার্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করেন।

উপাসনাস্থল উদ্বোধনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান ও চারুকলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. তপন কুমার সরকার বক্তব্য রাখেন। সনাতন ধর্মের পক্ষ থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী বিপ্লব দাশ, খৃষ্টান ধর্মের পক্ষ হতে লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রাবণ চিছা এবং বৌদ্ধ ধর্মের পক্ষ হতে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী সুবেশ চাকমা বক্তব্য রাখেন।

দীর্ঘদিনের দাবি থাকলেও বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার স্বল্প সময়ের মাঝেই উপাসনাস্থল পাওয়ায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ মাননীয় উপাচার্যসহ বর্তমান প্রশাসনের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। উদ্বোধনকালে হলের প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভাগীয় ও দপ্তর প্রধানগণসহ শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পাশাপাশি নির্মিতব্য তিনটি ভবনের একটি সনাতন, একটি বৌদ্ধ ও একটি ভবন খৃষ্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card