ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বারুয়ামারী গ্রামে এক ব্যক্তিকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্তরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ভুক্তভোগী বাচ্চু মিয়ার অভিযোগ, গত ২৬ জুলাই তিনি তার সহোদর মামা আব্দুল মান্নান ও মামাতো ভাই তোফাজ্জলের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল দ্বারা অবরুদ্ধ হন। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ৬ লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য কৌশলগতভাবে তিনি ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিন দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে তাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।
বাচ্চু মিয়া আরও দাবি করেন, তিনি বর্তমানে পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন এবং স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে পারছেন না। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তারও বিচার হওয়া উচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে সেনাবাহিনী আব্দুল মান্নানকে আটক করে গৌরীপুর থানায় হস্তান্তর করলে পুলিশ একটি মামলায় তাকে আদালতে পাঠায়।
এদিকে এলাকাবাসীর কয়েকজনের অভিযোগ, আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে একটি চোরচক্র সক্রিয় রয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা ছলিম বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম। আমি না ফিরালে তোফাজ্জলদের দল ওদের মারধর করত।”
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা সেলিমের দাবি, “চাঁদা দাবির ঘটনায় তোফাজ্জলেরাই দায়ী।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল মান্নান ও তোফাজ্জলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা কোনো চাঁদা দাবি করেননি। তাদের দাবি, চাঁদা চেয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক ও তার বড় মেয়ে রিমা।
স্থানীয়দের একাংশের আশঙ্কা, বিরোধের জেরে এলাকায় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। তারা উভয় পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
স্টাফ রিপোর্টার 




















