০৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাছ কাটা নয়, স্থানান্তর করা হয়েছে: নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্পষ্টীকরণ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • পোষ্টের সময় : ০৫:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ৭ ভিউ :

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কতিপয় গাছ স্থানান্তর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে—ক্যাম্পাসের একটি গাছও কাটা (নিধন করা) হয়নি, বরং বৈজ্ঞানিক ও যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে মাটি ও শিকড়সহ সেগুলোকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ব্যক্তি ভুল ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে শান্ত ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। ‘বৃক্ষ নিধন’ এবং ‘বৃক্ষ স্থানান্তর’ সম্পূর্ণ বিপরীত দুটো বিষয় উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষ জানায়, স্থানান্তরিত গাছগুলো যাতে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে, সে জন্য অভিজ্ঞ প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ ও উদ্যানতত্ত্ববিদদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে ২০২৬–২০৩০ মেয়াদে সরকারের ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সাথে সংহতি জানিয়ে ক্যাম্পাসে নতুন বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ এবং বিশিষ্ট উদ্ভিদবিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

এ বিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, “আমরা মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও পরিকল্পিত ও সুন্দরভাবে গড়ে তোলার কাজ করছি। বিক্ষিপ্তভাবে থাকা কিছু গাছ সরিয়ে অন্যত্র রোপণ করা হয়েছে, কোনো গাছ নিধন করা হয়নি। পাশাপাশি নতুন গাছ রোপণের কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে, যার জন্য ইতোমধ্যে বড় অঙ্কের সরকারি অনুদান পাওয়া গেছে।”

বিজ্ঞপ্তিতে আরও মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পেনাল কোড (১৮৬০) এবং তথ্য অধিকার আইন (২০০৯) অনুযায়ী অসত্য তথ্য প্রচারের দায়ে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের সুস্পষ্ট আইনি বিধান রয়েছে। তাই ভিত্তিহীন তথ্যে কান না দিয়ে ক্যাম্পাসের শান্ত পরিবেশ ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে সকলকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

গাছ কাটা নয়, স্থানান্তর করা হয়েছে: নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্পষ্টীকরণ

আজ বঙ্গভবন ছাড়ছেন মো. সাহাবুদ্দিন, চিকিৎসার জন্য যাবেন বিদেশে

26 July 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

গাছ কাটা নয়, স্থানান্তর করা হয়েছে: নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্পষ্টীকরণ

পোষ্টের সময় : ০৫:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কতিপয় গাছ স্থানান্তর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে—ক্যাম্পাসের একটি গাছও কাটা (নিধন করা) হয়নি, বরং বৈজ্ঞানিক ও যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে মাটি ও শিকড়সহ সেগুলোকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ব্যক্তি ভুল ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে শান্ত ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। ‘বৃক্ষ নিধন’ এবং ‘বৃক্ষ স্থানান্তর’ সম্পূর্ণ বিপরীত দুটো বিষয় উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষ জানায়, স্থানান্তরিত গাছগুলো যাতে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে, সে জন্য অভিজ্ঞ প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ ও উদ্যানতত্ত্ববিদদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে ২০২৬–২০৩০ মেয়াদে সরকারের ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সাথে সংহতি জানিয়ে ক্যাম্পাসে নতুন বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ এবং বিশিষ্ট উদ্ভিদবিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

এ বিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, “আমরা মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও পরিকল্পিত ও সুন্দরভাবে গড়ে তোলার কাজ করছি। বিক্ষিপ্তভাবে থাকা কিছু গাছ সরিয়ে অন্যত্র রোপণ করা হয়েছে, কোনো গাছ নিধন করা হয়নি। পাশাপাশি নতুন গাছ রোপণের কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে, যার জন্য ইতোমধ্যে বড় অঙ্কের সরকারি অনুদান পাওয়া গেছে।”

বিজ্ঞপ্তিতে আরও মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পেনাল কোড (১৮৬০) এবং তথ্য অধিকার আইন (২০০৯) অনুযায়ী অসত্য তথ্য প্রচারের দায়ে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের সুস্পষ্ট আইনি বিধান রয়েছে। তাই ভিত্তিহীন তথ্যে কান না দিয়ে ক্যাম্পাসের শান্ত পরিবেশ ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে সকলকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

Share this news as a Photo Card