ফিলিপাইনের জনগণ দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। সাম্প্রতিক ভয়াবহ বৃষ্টিপাত ও বন্যা পরিস্থিতি দেশকে অচল করে তুলেছে। বিশেষ করে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও সরকারি তহবিল আত্মসাৎ করার অভিযোগে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। সামাজিক মাধ্যম যেমন ফেসবুক, টিকটক ও এক্স-এ নাগরিকরা তাদের রোষ প্রকাশ করছেন, যেখানে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ও ঠিকাদাররা ভুয়া প্রকল্প বানিয়ে অর্থ লুট করার অভিযোগ উঠেছে।
ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ ‘বংবং’ মার্কোস জুনিয়র নিজেও একটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পরিদর্শনে গিয়ে প্রকল্প না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বরাদ্দ করা সরকারি অর্থের প্রায় ৭০ শতাংশ দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় হাউস স্পিকার পদত্যাগ করেছেন এবং সিনেটের প্রধানকেও অপসারণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়িক পরিবারের সন্তানদের বিলাসবহুল জীবনযাপন জনরোষ আরও বাড়িয়েছে, যাদের ‘নেপো বেবিস’ নামে কটাক্ষ করা হচ্ছে।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর দুর্নীতিবিরোধী এক বৃহৎ বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে, যা ১৯৭২ সালের সামরিক আইন জারির বার্ষিকীর সঙ্গে সংযুক্ত। প্রেসিডেন্ট মার্কোস জুনিয়র বলেছেন, “আমি যদি প্রেসিডেন্ট না হতাম, হয়তো আমিও জনগণের সঙ্গে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতাম। শান্তিপূর্ণভাবে চিৎকার করুন, প্রতিবাদ করুন।”
ফিলিপাইন সমাজ ও রাজনীতিতে এ ঘটনা বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























