০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে বন্ধুকে খুন করে কুড়াল হাতে থানায় যুবকের আত্মসমর্পণ

 

ময়মনসিংহের ত্রিশালে সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে মুনতাসির ফাহিম (২২) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বন্ধু অহিদুল ইসলাম (২২)-এর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত ফাহিম ত্রিশাল ইউনিয়নের চিকনা মনোহর গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে। আর অভিযুক্ত অহিদুল ইসলাম ত্রিশাল পৌরসভার দরিরামপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের সন্তান।

 

পরিবারের সদস্যরা জানান, মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন ফাহিম। চার মাস আগে দেশে ফিরেছিলেন তিনি। আগামী শনিবার তার ফের মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা ছিল; ২৫ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা ছিল ক্লাস।

 

পুলিশ জানায়, রাত নয়টার দিকে ‘চায়নিজ কুড়াল’ হাতে থানায় যান অহিদুল। সেখানে তিনি বলেন, ‘ফাহিম আমার জীবন নষ্ট করেছে, তাই তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছি।’ তার স্বীকারোক্তির পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নজরুল একাডেমি মাঠের পূর্ব পাশে পানির ট্যাংকের কাছে ফাহিমের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনে।

 

ফাহিমের বাবা রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘কেন আমার ছেলেকে হত্যা করল বুঝতে পারছি না। কী ক্ষোভ ছিল? আমার ছেলে তো দেশেই থাকত না। এমন নির্মমভাবে ওকে কুপিয়ে মারল!’

 

ত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহমেদ জানান, নিহত ও অভিযুক্ত দুজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। হত্যার পর অহিদুল দাবি করেছেন যে ফাহিম তার জীবন নষ্ট করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে হত্যার প্রকৃত কারণ বের করার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক ২

04 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ময়মনসিংহের ত্রিশালে বন্ধুকে খুন করে কুড়াল হাতে থানায় যুবকের আত্মসমর্পণ

পোষ্টের সময় : ১১:১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

 

ময়মনসিংহের ত্রিশালে সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে মুনতাসির ফাহিম (২২) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বন্ধু অহিদুল ইসলাম (২২)-এর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত ফাহিম ত্রিশাল ইউনিয়নের চিকনা মনোহর গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে। আর অভিযুক্ত অহিদুল ইসলাম ত্রিশাল পৌরসভার দরিরামপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের সন্তান।

 

পরিবারের সদস্যরা জানান, মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন ফাহিম। চার মাস আগে দেশে ফিরেছিলেন তিনি। আগামী শনিবার তার ফের মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা ছিল; ২৫ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা ছিল ক্লাস।

 

পুলিশ জানায়, রাত নয়টার দিকে ‘চায়নিজ কুড়াল’ হাতে থানায় যান অহিদুল। সেখানে তিনি বলেন, ‘ফাহিম আমার জীবন নষ্ট করেছে, তাই তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছি।’ তার স্বীকারোক্তির পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নজরুল একাডেমি মাঠের পূর্ব পাশে পানির ট্যাংকের কাছে ফাহিমের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনে।

 

ফাহিমের বাবা রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘কেন আমার ছেলেকে হত্যা করল বুঝতে পারছি না। কী ক্ষোভ ছিল? আমার ছেলে তো দেশেই থাকত না। এমন নির্মমভাবে ওকে কুপিয়ে মারল!’

 

ত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহমেদ জানান, নিহত ও অভিযুক্ত দুজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। হত্যার পর অহিদুল দাবি করেছেন যে ফাহিম তার জীবন নষ্ট করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে হত্যার প্রকৃত কারণ বের করার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

 

Share this news as a Photo Card