০৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মারা গেলেন বিশ্বের সবচেয়ে ‘গরিব’ প্রেসিডেন্ট

 

‘পেপে’ নামে পরিচিত উরুগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসে মুজিকা মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

 

বুধবার বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সাবেক এই গেরিলা নেতা ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত উরুগুয়ে শাসন করেছেন। সাধারণ জীবনযাপন, ভোগবাদবিরোধী মনোভাব এবং সামাজিক সংস্কারে ভূমিকার কারণে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ‘গরিব প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন।

 

উরুগুয়ের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইয়ামান্দু ওরসি তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, “আপনি আমাদের যা কিছু দিয়েছেন এবং জনগণের জন্য যা করেছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতা।”

 

হোসে মুজিকা খাদ্যনালীর ক্যান্সারে ভুগছিলেন বলে জানা গেছে। যদিও মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি।

 

রাজনীতির পাশাপাশি বই পড়া ও কৃষিকাজে আগ্রহী ছিলেন তিনি। একসময় তিনি উরুগুয়ের ন্যাশনাল পার্টির সদস্য ছিলেন। পরে ১৯৬০-এর দশকে টুপামারোস নামে একটি বামপন্থী গেরিলা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। এই সংগঠন সরকারবিরোধী সশস্ত্র প্রতিরোধে যুক্ত ছিল।

 

মুজিকা জীবনে একাধিকবার গ্রেফতার হন এবং দীর্ঘ ১৪ বছর কারাবন্দি ছিলেন। ১৯৮৫ সালে উরুগুয়ে গণতন্ত্রে ফিরে এলে তিনি মুক্তি পান। পরে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন এবং শেষ পর্যন্ত দেশের প্রেসিডেন্ট হন।

 

উরুগুয়ের মতো একটি ছোট দেশ থেকে উঠে এসেও মুজিকা হয়ে ওঠেন আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একজন নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ঈশ্বরগঞ্জের সাজ্জাদ রোমন

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়ে ইতিবাচক বাংলাদেশ

11 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

মারা গেলেন বিশ্বের সবচেয়ে ‘গরিব’ প্রেসিডেন্ট

পোষ্টের সময় : ০৬:১৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

‘পেপে’ নামে পরিচিত উরুগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসে মুজিকা মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

 

বুধবার বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সাবেক এই গেরিলা নেতা ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত উরুগুয়ে শাসন করেছেন। সাধারণ জীবনযাপন, ভোগবাদবিরোধী মনোভাব এবং সামাজিক সংস্কারে ভূমিকার কারণে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ‘গরিব প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন।

 

উরুগুয়ের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইয়ামান্দু ওরসি তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, “আপনি আমাদের যা কিছু দিয়েছেন এবং জনগণের জন্য যা করেছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতা।”

 

হোসে মুজিকা খাদ্যনালীর ক্যান্সারে ভুগছিলেন বলে জানা গেছে। যদিও মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি।

 

রাজনীতির পাশাপাশি বই পড়া ও কৃষিকাজে আগ্রহী ছিলেন তিনি। একসময় তিনি উরুগুয়ের ন্যাশনাল পার্টির সদস্য ছিলেন। পরে ১৯৬০-এর দশকে টুপামারোস নামে একটি বামপন্থী গেরিলা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। এই সংগঠন সরকারবিরোধী সশস্ত্র প্রতিরোধে যুক্ত ছিল।

 

মুজিকা জীবনে একাধিকবার গ্রেফতার হন এবং দীর্ঘ ১৪ বছর কারাবন্দি ছিলেন। ১৯৮৫ সালে উরুগুয়ে গণতন্ত্রে ফিরে এলে তিনি মুক্তি পান। পরে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন এবং শেষ পর্যন্ত দেশের প্রেসিডেন্ট হন।

 

উরুগুয়ের মতো একটি ছোট দেশ থেকে উঠে এসেও মুজিকা হয়ে ওঠেন আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একজন নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

 

Share this news as a Photo Card