০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমাজনে বিশাল গর্ত, জরুরি অবস্থা জারি

ব্রাজিলের আমাজন বনাঞ্চলের একটি শহরে কয়েকটি বিশাল গর্তের (সিঙ্কহোল) সৃষ্টি হয়েছে। দেখা দিয়েছে ধস। এসব গর্ত আশপাশের কয়েকশ বাড়ি গ্রাস করে ফেলতে পারে– এমন আশঙ্কায় শহরটিতে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। আমাজনের মারানহোর বুরিতিকুপু নামে শহরটির বেশ কয়েকটি ভবন ইতোমধ্যে সিঙ্কহোলে বিলীন হয়ে গেছে। ৫৫ হাজার বাসিন্দার শহরটির অন্তত ১ হাজার ২০০ মানুষের বাড়ি এসব গর্তের কারণে ধ্বংস হতে পারে বলে আশঙ্কা শহর কর্তৃপক্ষের।

এ মাসের শুরুতে সেখানকার স্থানীয় সরকার একটি ডিক্রি জারি করে। এতে বলা হয়, ‘গত কয়েক মাসের মধ্যে সিঙ্কহোলটির পরিধি বিস্তৃত হয়েছে, যা এখন আবাসিক ভবনের দিকে এগোচ্ছে।’ বুরিতিকুপু নামে শহরটিতে গত ৩০ বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে এমন সিঙ্কহোল। তবে সম্প্রতি এগুলোর পরিধি এতটাই বেড়েছে, মানুষের বসতির জন্য এখন এগুলো হুমকি হয়ে উঠেছে। মূলত বৃষ্টির কারণে মাটি ক্ষয়, বন উজাড় করে অপরিকল্পিত বাড়িঘর নির্মাণে বাড়ছে সিঙ্কহোলের বিস্তৃতি। ভূগোলবিদ ও মারানহাউ ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্সিলিনো ফারিয়াস বলেছেন, ভারী বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে।

বুরিতিকুপু শহরটিতে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে থাকছেন ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ অ্যান্তোনিয়া দোস অ্যাঞ্জস। তিনি জানান, এখানে হয়তো আরও সিঙ্কহোলের সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে তারা সবাই আতঙ্কিত। শহরটির পাবলিক ওয়ার্কসের সেক্রেটারি ও প্রকৌশলী লুকাস কোনসিকা বলেন, তাদের কাছে এ সমস্যার সমাধান নেই।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বজ্রপাতে বিএসএফ সদস্যের মৃত্যু

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

24 June 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

আমাজনে বিশাল গর্ত, জরুরি অবস্থা জারি

পোষ্টের সময় : ০৩:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ব্রাজিলের আমাজন বনাঞ্চলের একটি শহরে কয়েকটি বিশাল গর্তের (সিঙ্কহোল) সৃষ্টি হয়েছে। দেখা দিয়েছে ধস। এসব গর্ত আশপাশের কয়েকশ বাড়ি গ্রাস করে ফেলতে পারে– এমন আশঙ্কায় শহরটিতে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। আমাজনের মারানহোর বুরিতিকুপু নামে শহরটির বেশ কয়েকটি ভবন ইতোমধ্যে সিঙ্কহোলে বিলীন হয়ে গেছে। ৫৫ হাজার বাসিন্দার শহরটির অন্তত ১ হাজার ২০০ মানুষের বাড়ি এসব গর্তের কারণে ধ্বংস হতে পারে বলে আশঙ্কা শহর কর্তৃপক্ষের।

এ মাসের শুরুতে সেখানকার স্থানীয় সরকার একটি ডিক্রি জারি করে। এতে বলা হয়, ‘গত কয়েক মাসের মধ্যে সিঙ্কহোলটির পরিধি বিস্তৃত হয়েছে, যা এখন আবাসিক ভবনের দিকে এগোচ্ছে।’ বুরিতিকুপু নামে শহরটিতে গত ৩০ বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে এমন সিঙ্কহোল। তবে সম্প্রতি এগুলোর পরিধি এতটাই বেড়েছে, মানুষের বসতির জন্য এখন এগুলো হুমকি হয়ে উঠেছে। মূলত বৃষ্টির কারণে মাটি ক্ষয়, বন উজাড় করে অপরিকল্পিত বাড়িঘর নির্মাণে বাড়ছে সিঙ্কহোলের বিস্তৃতি। ভূগোলবিদ ও মারানহাউ ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্সিলিনো ফারিয়াস বলেছেন, ভারী বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে।

বুরিতিকুপু শহরটিতে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে থাকছেন ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ অ্যান্তোনিয়া দোস অ্যাঞ্জস। তিনি জানান, এখানে হয়তো আরও সিঙ্কহোলের সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে তারা সবাই আতঙ্কিত। শহরটির পাবলিক ওয়ার্কসের সেক্রেটারি ও প্রকৌশলী লুকাস কোনসিকা বলেন, তাদের কাছে এ সমস্যার সমাধান নেই।

Share this news as a Photo Card