বেশ কয়েকজন বড় ফুটবলার এবার প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। গোল ডটকম এমন ১০ জন ফুটবলারকে কেন্দ্র করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। নিচে সেটার অনুদিত ও সংক্ষেপিত অংশ।
১. আর্লিং হল্যান্ড (নরওয়ে)
১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে নরওয়ে। তাদের দলে তারকাদের ছড়াছড়ি। মার্টিন ওডেগার্ড, অ্যান্তোনিও নুসা, আলেক্সান্ডার সরোলথ। তবে সবার নজর থাকবে হলান্ডের দিকে।
জাতীয় দলের হয়ে ৪৯ ম্যাচে ৫৫ গোল করা হল্যান্ড শুধু প্রথম বিশ্বকাপই খেলছেন না, এটি তার প্রথম বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টও। গ্রুপ পর্বে নরওয়ের প্রতিপক্ষ ইরাক, সেনেগাল ও ফ্রান্স। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডাররা ইতিমধ্যেই তার গতি ও গোল করার ক্ষমতা নিয়ে চিন্তায় থাকতে পারেন।
২. লামিন ইয়ামাল (স্পেন)
স্প্যানিশ ফুটবলের পরবর্তী বড় তারকা হিসেবে বিবেচিত ইয়ামাল। মাত্র ১৫ বছর বয়সে বার্সেলোনার হয়ে অভিষেকের পর থেকেই তিনি বিশ্বজুড়ে আলোচনায়। ইউরো ২০২৪-এ তিনি ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে অসাধারণ গোল করেন, সহায়তা করেন চারটি গোলেও। এবার বিশ্বকাপে একই রকম পারফরম্যান্স করতে পারলে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদাও পেতে পারেন তিনি।
৩. ফ্লোরিয়ান উইর্টজ (জার্মানি)
গত গ্রীষ্মে বিশাল অঙ্কের চুক্তিতে লিভারপুলে যোগ দেন উইর্টজ। ২০২২ বিশ্বকাপ মিস করেছিলেন এসিএল ইনজুরির কারণে। এখন তিনি বিশ্বকাপে নিজের সামর্থ্য দেখাতে মুখিয়ে আছেন। সৃজনশীল মিডফিল্ডার হিসেবে জার্মান কোচ হুলিয়ান নাগেলসম্যানের দলের অন্যতম ভরসা তিনি।
৪. লুইস দিয়াজ (কলম্বিয়া)
বায়ার্ন মিউনিখে অসাধারণ মৌসুম কাটানোর পর এবার প্রথম বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছেন দিয়াজ। ২৯ বছর বয়সে তার বিশ্বকাপ অভিষেক হতে যাচ্ছে, যা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। ২০২৫-২৬ মৌসুমে তিনি ২৬ গোল ও ১৯ অ্যাসিস্ট করেছেন। একই ফর্ম ধরে রাখতে পারলে কলম্বিয়াকে অনেক দূর নিয়ে যেতে পারেন।
৫. মিকেল অলিস (ফ্রান্স)
বায়ার্নের হয়ে দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়ে প্রথম বিশ্বকাপে যাচ্ছেন অলিসে। তিনি ২৫ গোল করার পাশাপাশি ২৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন। সাবেক ক্রিস্টাল প্যালেস উইঙ্গার এখন ফ্রান্সের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র।
৬. জোয়াও নেভেস (পর্তুগাল)
২০২৪ সালে পিএসজিতে যোগ দেওয়ার পর ইউরোপের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডারে পরিণত হয়েছেন নেভেস। মাত্র ২১ বছর বয়সে তিনি ইতোমধ্যে দুইবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। এটি তার প্রথম বিশ্বকাপ হলেও ভবিষ্যতে আরও অনেক বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।
৭. নিকো পাজ (আর্জেন্টিনা)
কোমোতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ইউরোপের অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন প্লেমেকারে পরিণত হয়েছেন পাজ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আশা করছে, তিনি লিওনেল মেসিকে সহায়তা করে দলকে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের পথে এগিয়ে নেবেন।
৮. ফ্লোরিয়ান বালোগুন (যুক্তরাষ্ট্র)
২০২২ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল গোলস্কোরারের অভাব। সেই সমস্যা সমাধানের আশা এখন বালোগুনকে ঘিরে। সাবেক আর্সেনাল স্ট্রাইকার গত মৌসুমে এএস মোনাকোর হয়ে ১৯ গোল করেছেন।
৯. আর্দা গুলার (তুরস্ক)
ইউরো ২০২৪-এ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আলোচনায় আসেন গুলার। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে নিয়মিত খেলতে শুরু করার পর তার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে। এই বিশ্বকাপে তিনি তুরস্কের আক্রমণের অন্যতম প্রধান ভরসা।
১০. ইয়ান দিয়ামন্দে (আইভরি কোস্ট)
মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ইউরোপের অন্যতম আলোচিত তরুণ উইঙ্গারে পরিণত হয়েছেন দিয়োমান্দে। আরবি লাইপজিগের এই প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে দলে নিতে আগ্রহী ইউরোপের বেশ কয়েকটি বড় ক্লাব। সাম্প্রতিক আফ্রিকা কাপেও তিনি ভালো খেলেছেন। তাই বিশ্বকাপেও তার দিকে বিশেষ নজর থাকবে।
স্পোর্টস ডেস্ক 
























