০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদালতের রায়ে অপসারিত দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, ৬০ দিনেই নির্বাচন

  • RA
  • পোষ্টের সময় : ১০:০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ৩৭৭ ভিউ :

দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। পাশাপাশি ৬০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণাও দিয়েছে আদালত।

আদালত জানিয়েছে, গত বছরের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারি করে ইউন সুক-ইওল জনগণের অধিকার “লঙ্ঘন” করেছেন।

শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল গত বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির অনুপ্রবেশের দাবি করেন। তবে পরে উঠে আসে, তিনি মূলত প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিকদের আটক ও সংসদীয় ভোট ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেন। এর জেরে সংসদে অভিশংসিত হয়ে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই দায়িত্ব হারান তিনি। যদিও আইনি জটিলতার কারণে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদে থাকলেও কোনও ক্ষমতা ছিল না। অবশেষে সাংবিধানিক আদালতের রায়ে শুক্রবার ইউনকে চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণ করা হয়।

 

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

নেইমারের ফেরার ম্যাচে ভিনি ম্যাজিকে উড়ে গেল স্কটল্যান্ড

সৌদিতে এক বছরে ১০০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

24 June 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

আদালতের রায়ে অপসারিত দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, ৬০ দিনেই নির্বাচন

পোষ্টের সময় : ১০:০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। পাশাপাশি ৬০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণাও দিয়েছে আদালত।

আদালত জানিয়েছে, গত বছরের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারি করে ইউন সুক-ইওল জনগণের অধিকার “লঙ্ঘন” করেছেন।

শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল গত বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির অনুপ্রবেশের দাবি করেন। তবে পরে উঠে আসে, তিনি মূলত প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিকদের আটক ও সংসদীয় ভোট ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেন। এর জেরে সংসদে অভিশংসিত হয়ে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই দায়িত্ব হারান তিনি। যদিও আইনি জটিলতার কারণে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদে থাকলেও কোনও ক্ষমতা ছিল না। অবশেষে সাংবিধানিক আদালতের রায়ে শুক্রবার ইউনকে চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণ করা হয়।

 

 

Share this news as a Photo Card