০৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেলবাজ আর চাটুকারদের কবলে বন্দি সাংবাদিকতা

 

এক সময় সাংবাদিকতা ছিল সমাজের দর্পণ যেখানে সত্য প্রতিফলিত হতো নির্ভীক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে। ক্ষমতার চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করার সাহসই ছিল এ পেশার মূল পরিচয়। অথচ সময়ের পরিক্রমায় সেই সাংবাদিকতার একটি বড় অংশ আজ তেলবাজি ও চাটুকারিতার কবলে বন্দি হয়ে পড়েছে। যেখানে সত্য নয়, প্রাধান্য পাচ্ছে তোষণনীতি; বিবেক নয়, জায়গা করে নিচ্ছে সুবিধাবাদ।

 

নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে তার সভাসদরা বলতো, ‘কমরেড নেপোলিয়ন ইজ অলওয়েজ রাইট’। কিন্তু নেপোলিয়ন বলেছিলেন, আমি নিজে বলছি, আই অ্যাম নট অলওয়েজ রাইট। আমারও ভুল হতে পারে, ক্রটি হতে পারে। আমারও সমালোচনা থাকতে পারে। আমি মনে করি, সমালোচকরা আমার বড় বন্ধু। আর যারা আমার বন্দনা করে, যারা চাটুকারি-মোসাহেবি করে, তারা হচ্ছে বড় শত্রু। চাটুকার মোসাহেবদের চেয়ে বড় শত্রু আর কেউ নেই।

 

ঊনিশ শতকের দুর্দান্ত লেখক ছিলেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। বাংলা সাহিত্যে সে সময় আরো অনেক লেখক ছিলেন, কিন্তু শাস্ত্রী যুগে যুগে বেঁচে থাকবেন তাঁর রচিত ‘তৈল’র কারণে। “তৈল” নামের লেখায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছেন, মানুষ সমাজে পারস্পরিক তৈল মর্দন কর্ম করে থাকে অতি উৎসাহে, নিজ প্রয়োজনে ও স্বার্থে।

 

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ও সমাজের দর্পণ বলা হয় সাংবাদিকদের। সমাজের যেকোনো অন্যায়, অত্যাচার বা শোষণের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সাংবাদিকরা। সংবাদকর্মীদের রিপোর্টে অনেক বড় বড় রথি-মহারথিদের চাল উল্টে যায়, আবার অনেক ক্ষমতাবান শাসকের শাসন ক্ষমতা কেড়ে নিতে ভূমিকা রাখে। সাধারণ জনগণ তাদের যাপিত জীবনে সংবাদ মাধ্যমকে অন্যতম শক্তি হিসেবে দেখে এসেছে এবং এখনও দেখতে চায়।

 

আমাদের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ। এদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সে সময়ের সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকদের অবদান ছিল বলিষ্ঠ। তৎকালীন সময়ে সংবাদপত্রগুলি ছাত্র সমাজের মাঝে স্বাধীনতা আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে দিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ২৪’র ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানেও সাংবাদিকেরা সঠিকভাবে জাতির বিবেকের ভূমিকা পালন করেছিলো। বাংলাদেশ বিরোধীদের বা গণতান্ত্রিক ভিত্তিতে যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় মিডিয়ার ভূমিকা থাকে সর্বাগ্রে। কিন্তু আমরা সাধারণ জনগণ বিষাদগ্রস্থ হয়ে যাই, যখন দেখি তথাকথিত সাংবাদিকরা প্রশাসনের আমলা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের চাটুকারিতা ও তৈল মর্দন করে। কিছু সিনিয়র-জুনিয়র সাংবাদিকরা সবসময় চাটুকারিতায় ব্যস্ত থাকে। সুনির্দিষ্ট নিউজের বাইরে অতিরিক্ত বন্দনা, গুণকীর্তন, গলা ডুবিয়ে সমর্থন এসবে চাটুকার সাংবাদিকরা লজ্জা না পেলেও পেশাদার সংবাদিকরা কিন্তু লজ্জা পান!

 

আমরা জানি যে, বাঙ্গালিরা নিজ ভূমিতে কখনো স্বাধীন ছিল না। খৃষ্টপূর্ব থেকে যদি শুরু করি, তাহলে দেখা যায়, বাঙ্গালিদের তিব্বতীয়-বর্মীরা, তারপর ক্রমানুসারে আর্য, গুপ্ত, শশাংক, পাল, সেন, সুলতান, মোঘল শাসন চলে। তারপর ভারতীয়, ব্রিটিশ ও পাকিস্তানিরা আমাদের শাসন ও শোষণ করে। পরাধীন ছিলাম হাজার হাজার বছর, বাঙ্গালীরা নিজ ভূমে শাসন করতে পারেনি। বরং পরাধীন থাকার সময়ে একটু ভাল থাকার আশায় বা শাসক শ্রেণির করুণা লাভের আশায় চাটুকার, মোসাহেব ও গোলাম হিসেবে নিজদের প্রতিষ্ঠা করেছি। যুগ যুগ ধরে আমাদের পূর্বপুরুষের সেই রক্ত আমাদের ধমনীতে বয়ে চলেছে। যার কারণে একবিংশ শতকের দ্বারপ্রান্তে এসেও পারসোনালিটি ও সেলফরেস্পেক্ট নামক বিষয় দুইটিতে আমাদের বিস্তর পার্থক্য রয়ে গেছে। আর তাই আমরা ক্ষমতাবানদের পদ বেশি লেহন করি।

 

বর্তমান বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, কিছু সংবাদকর্মী ক্ষমতাবানদের অনুকম্পা পেতে সত্যকে আড়াল করছেন, প্রশ্নকে নীরব করছেন এবং দায়িত্বকে বিসর্জন দিচ্ছেন। সংবাদ হয়ে উঠছে ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষার হাতিয়ার। এতে করে সংবাদমাধ্যমের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে।

 

চাটুকার সাংবাদিকতার এই প্রবণতা কেবল নৈতিক অবক্ষয় নয়; এটি গণতন্ত্রের জন্যও অশনিসংকেত। কারণ স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম ছাড়া জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা কল্পনাই করা যায় না। যখন সাংবাদিকতা ক্ষমতার ভাষ্য পুনরুৎপাদনের যন্ত্রে পরিণত হয় তখন দুর্নীতি, অনিয়ম ও অবিচারের পথ আরও প্রশস্ত হয়। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই সংকটের পেছনে রয়েছে পেশাগত নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক নির্ভরতা এবং নৈতিক নেতৃত্বের অভাব। বিজ্ঞাপন, পদ-পদবি কিংবা ব্যক্তিগত সুবিধার বিনিময়ে কলম বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঘটনাও আর গোপন নয়। এতে প্রকৃত পেশাদার ও নীতিবান সাংবাদিকরা ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন।

 

তবে সব অন্ধকারের মাঝেও কিছু ব্যতিক্রমী কণ্ঠ এখনও জেগে আছে। সীমিত সুযোগ ও নানা চাপের মধ্যেও যারা সত্য প্রকাশে অটল, তারাই সাংবাদিকতার প্রকৃত পরিচয় বহন করছেন। এই সাহসী কণ্ঠগুলোই প্রমাণ করে যে সাংবাদিকতা এখনও পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি, বরং সংকটে রয়েছে।

 

প্রয়োজন এখন আত্মসমালোচনা ও পেশাগত শুদ্ধতার পথে ফিরে যাওয়ার। তেলবাজি ও চাটুকারিতার সংস্কৃতি পরিত্যাগ করে সত্য, ন্যায় ও জনস্বার্থকে আবারও সাংবাদিকতার কেন্দ্রে স্থাপন করতে না পারলে চতুর্থ স্তম্ভ তার মর্যাদা হারাবে, যার মূল্য দিতে হবে পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে।

 

লেখক : শাহ্ নাফিউল্লাহ সৈকত, গণমাধ্যমকর্মী।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

নাটকীয় কামব্যাকে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

সেরিব্রাল পালসি ও অকুপেশনাল থেরাপি: শিশুর সম্ভাবনাকে বিকশিত করার এক নির্ভরযোগ্য পথ

29 June 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

তেলবাজ আর চাটুকারদের কবলে বন্দি সাংবাদিকতা

পোষ্টের সময় : ০৮:২৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

 

এক সময় সাংবাদিকতা ছিল সমাজের দর্পণ যেখানে সত্য প্রতিফলিত হতো নির্ভীক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে। ক্ষমতার চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করার সাহসই ছিল এ পেশার মূল পরিচয়। অথচ সময়ের পরিক্রমায় সেই সাংবাদিকতার একটি বড় অংশ আজ তেলবাজি ও চাটুকারিতার কবলে বন্দি হয়ে পড়েছে। যেখানে সত্য নয়, প্রাধান্য পাচ্ছে তোষণনীতি; বিবেক নয়, জায়গা করে নিচ্ছে সুবিধাবাদ।

 

নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে তার সভাসদরা বলতো, ‘কমরেড নেপোলিয়ন ইজ অলওয়েজ রাইট’। কিন্তু নেপোলিয়ন বলেছিলেন, আমি নিজে বলছি, আই অ্যাম নট অলওয়েজ রাইট। আমারও ভুল হতে পারে, ক্রটি হতে পারে। আমারও সমালোচনা থাকতে পারে। আমি মনে করি, সমালোচকরা আমার বড় বন্ধু। আর যারা আমার বন্দনা করে, যারা চাটুকারি-মোসাহেবি করে, তারা হচ্ছে বড় শত্রু। চাটুকার মোসাহেবদের চেয়ে বড় শত্রু আর কেউ নেই।

 

ঊনিশ শতকের দুর্দান্ত লেখক ছিলেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। বাংলা সাহিত্যে সে সময় আরো অনেক লেখক ছিলেন, কিন্তু শাস্ত্রী যুগে যুগে বেঁচে থাকবেন তাঁর রচিত ‘তৈল’র কারণে। “তৈল” নামের লেখায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছেন, মানুষ সমাজে পারস্পরিক তৈল মর্দন কর্ম করে থাকে অতি উৎসাহে, নিজ প্রয়োজনে ও স্বার্থে।

 

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ও সমাজের দর্পণ বলা হয় সাংবাদিকদের। সমাজের যেকোনো অন্যায়, অত্যাচার বা শোষণের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সাংবাদিকরা। সংবাদকর্মীদের রিপোর্টে অনেক বড় বড় রথি-মহারথিদের চাল উল্টে যায়, আবার অনেক ক্ষমতাবান শাসকের শাসন ক্ষমতা কেড়ে নিতে ভূমিকা রাখে। সাধারণ জনগণ তাদের যাপিত জীবনে সংবাদ মাধ্যমকে অন্যতম শক্তি হিসেবে দেখে এসেছে এবং এখনও দেখতে চায়।

 

আমাদের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ। এদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সে সময়ের সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকদের অবদান ছিল বলিষ্ঠ। তৎকালীন সময়ে সংবাদপত্রগুলি ছাত্র সমাজের মাঝে স্বাধীনতা আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে দিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ২৪’র ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানেও সাংবাদিকেরা সঠিকভাবে জাতির বিবেকের ভূমিকা পালন করেছিলো। বাংলাদেশ বিরোধীদের বা গণতান্ত্রিক ভিত্তিতে যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় মিডিয়ার ভূমিকা থাকে সর্বাগ্রে। কিন্তু আমরা সাধারণ জনগণ বিষাদগ্রস্থ হয়ে যাই, যখন দেখি তথাকথিত সাংবাদিকরা প্রশাসনের আমলা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের চাটুকারিতা ও তৈল মর্দন করে। কিছু সিনিয়র-জুনিয়র সাংবাদিকরা সবসময় চাটুকারিতায় ব্যস্ত থাকে। সুনির্দিষ্ট নিউজের বাইরে অতিরিক্ত বন্দনা, গুণকীর্তন, গলা ডুবিয়ে সমর্থন এসবে চাটুকার সাংবাদিকরা লজ্জা না পেলেও পেশাদার সংবাদিকরা কিন্তু লজ্জা পান!

 

আমরা জানি যে, বাঙ্গালিরা নিজ ভূমিতে কখনো স্বাধীন ছিল না। খৃষ্টপূর্ব থেকে যদি শুরু করি, তাহলে দেখা যায়, বাঙ্গালিদের তিব্বতীয়-বর্মীরা, তারপর ক্রমানুসারে আর্য, গুপ্ত, শশাংক, পাল, সেন, সুলতান, মোঘল শাসন চলে। তারপর ভারতীয়, ব্রিটিশ ও পাকিস্তানিরা আমাদের শাসন ও শোষণ করে। পরাধীন ছিলাম হাজার হাজার বছর, বাঙ্গালীরা নিজ ভূমে শাসন করতে পারেনি। বরং পরাধীন থাকার সময়ে একটু ভাল থাকার আশায় বা শাসক শ্রেণির করুণা লাভের আশায় চাটুকার, মোসাহেব ও গোলাম হিসেবে নিজদের প্রতিষ্ঠা করেছি। যুগ যুগ ধরে আমাদের পূর্বপুরুষের সেই রক্ত আমাদের ধমনীতে বয়ে চলেছে। যার কারণে একবিংশ শতকের দ্বারপ্রান্তে এসেও পারসোনালিটি ও সেলফরেস্পেক্ট নামক বিষয় দুইটিতে আমাদের বিস্তর পার্থক্য রয়ে গেছে। আর তাই আমরা ক্ষমতাবানদের পদ বেশি লেহন করি।

 

বর্তমান বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, কিছু সংবাদকর্মী ক্ষমতাবানদের অনুকম্পা পেতে সত্যকে আড়াল করছেন, প্রশ্নকে নীরব করছেন এবং দায়িত্বকে বিসর্জন দিচ্ছেন। সংবাদ হয়ে উঠছে ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষার হাতিয়ার। এতে করে সংবাদমাধ্যমের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে।

 

চাটুকার সাংবাদিকতার এই প্রবণতা কেবল নৈতিক অবক্ষয় নয়; এটি গণতন্ত্রের জন্যও অশনিসংকেত। কারণ স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম ছাড়া জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা কল্পনাই করা যায় না। যখন সাংবাদিকতা ক্ষমতার ভাষ্য পুনরুৎপাদনের যন্ত্রে পরিণত হয় তখন দুর্নীতি, অনিয়ম ও অবিচারের পথ আরও প্রশস্ত হয়। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই সংকটের পেছনে রয়েছে পেশাগত নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক নির্ভরতা এবং নৈতিক নেতৃত্বের অভাব। বিজ্ঞাপন, পদ-পদবি কিংবা ব্যক্তিগত সুবিধার বিনিময়ে কলম বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঘটনাও আর গোপন নয়। এতে প্রকৃত পেশাদার ও নীতিবান সাংবাদিকরা ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন।

 

তবে সব অন্ধকারের মাঝেও কিছু ব্যতিক্রমী কণ্ঠ এখনও জেগে আছে। সীমিত সুযোগ ও নানা চাপের মধ্যেও যারা সত্য প্রকাশে অটল, তারাই সাংবাদিকতার প্রকৃত পরিচয় বহন করছেন। এই সাহসী কণ্ঠগুলোই প্রমাণ করে যে সাংবাদিকতা এখনও পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি, বরং সংকটে রয়েছে।

 

প্রয়োজন এখন আত্মসমালোচনা ও পেশাগত শুদ্ধতার পথে ফিরে যাওয়ার। তেলবাজি ও চাটুকারিতার সংস্কৃতি পরিত্যাগ করে সত্য, ন্যায় ও জনস্বার্থকে আবারও সাংবাদিকতার কেন্দ্রে স্থাপন করতে না পারলে চতুর্থ স্তম্ভ তার মর্যাদা হারাবে, যার মূল্য দিতে হবে পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে।

 

লেখক : শাহ্ নাফিউল্লাহ সৈকত, গণমাধ্যমকর্মী।

 

Share this news as a Photo Card