চট্টগ্রামের শারজাহ ক্রিকেট মাঠে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ আফগানিস্তানকে পরাস্ত করে সিরিজে সমতা আনতে সক্ষম হয়েছে। আফগানিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৭ রান সংগ্রহ করে। জবাবে বাংলাদেশ ১৯.১ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান করে জয় নিশ্চিত করে।
আফগানিস্তানের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ইব্রাহিম জাদরান ৩৮ এবং গুরবাজ ৩০ রান করে দলের সর্বোচ্চ স্কোর গড়েন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ৪ ওভারে ৪৫ রান খরচ করে ২ উইকেট নেন। নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে ২৫ রান খরচ করে ২ উইকেট নেন। মুশফিকুর রহমান ও সাইফ উদ্দিন উইকেট শূন্য ছিলেন যদিও যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করেছিলেন।
বাংলাদেশের ইনিংসে জাকের আলি ৩২ এবং শামীম হোসেন ৩৩ রান করে দলের জয়ের ভিত্তি তৈরি করেন। জুটি ভাঙার পর নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন এবং শরিফুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। শেষ ওভার পর্যন্ত দলটিকে ঠিকভাবে গাইড করেন নুরুল হাসান সোহান। রিশাদ হোসেন ও নাসুম আহমেদ ক্রিজে থাকাকালীন শেষ উইকেট নিশ্চিত হয়, ফলে বাংলাদেশ ২ রানের ব্যবধানে জয়লাভ করে।
এই জয় বাংলাদেশ দলের আত্মবিশ্বাসকে তাজা করেছে। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে জয়ী দলই চূড়ান্ত সিরিজ বিজয়ী হিসেবে সাফল্য পাবে। ম্যাচে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট এবং খেলোয়াড়দের একযোগিতার প্রতিফলন স্পষ্ট। বিশেষভাবে জাকের আলি ও শামীম হোসেনের জুটি দলের জয় নিশ্চিত করেছে।
দর্শকরা ম্যাচে উত্তেজনার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনায় ছিলেন। আফগানিস্তানের ব্যাটিং ও বাংলাদেশের বোলিং পারফরম্যান্স সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে। সিরিজের এই ফলাফলে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার 

























