০২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের পর কলেজবিমুখ দুই শিক্ষার্থী, এইচএসসিতে উভয়েই অকৃতকার্য

 

বিয়ের পর কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দেন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বাঘাইতলা আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী। তবে কলেজে নিয়মিত না গেলেও তাঁরা ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশ নেন। শেষ পর্যন্ত দুজনই অকৃতকার্য হয়েছেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে। এমন ফল বিপর্যয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

 

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানপ্রধান আবদুল জলিল বলেন, স্কুলটিতে উচ্চমাধ্যমিক শাখা চালু করার উদ্দেশ্যে দুজন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পর তাঁদের বিয়ে হয়ে যায়। এরপর কলেজের সঙ্গে তাঁদের কোনো সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু তাঁরা জোরজবরদস্তি করে ফরম পূরণ করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং অকৃতকার্য হন।

 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা শিক্ষার মানোন্নয়নে সাধ্যমতো মনিটরিং করে আসছি। এই প্রতিষ্ঠানে কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক শিক্ষার্থী না থাকায় ইতিমধ্যে কর্তৃপক্ষ উচ্চমাধ্যমিকের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।’

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

বিয়ের পর কলেজবিমুখ দুই শিক্ষার্থী, এইচএসসিতে উভয়েই অকৃতকার্য

তারাকান্দায় কাভার্ডভ্যানের চাপায় প্রাণ গেল ২ বোনের

29 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

বিয়ের পর কলেজবিমুখ দুই শিক্ষার্থী, এইচএসসিতে উভয়েই অকৃতকার্য

পোষ্টের সময় : ১০:০০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

 

বিয়ের পর কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দেন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বাঘাইতলা আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী। তবে কলেজে নিয়মিত না গেলেও তাঁরা ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশ নেন। শেষ পর্যন্ত দুজনই অকৃতকার্য হয়েছেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে। এমন ফল বিপর্যয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

 

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানপ্রধান আবদুল জলিল বলেন, স্কুলটিতে উচ্চমাধ্যমিক শাখা চালু করার উদ্দেশ্যে দুজন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পর তাঁদের বিয়ে হয়ে যায়। এরপর কলেজের সঙ্গে তাঁদের কোনো সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু তাঁরা জোরজবরদস্তি করে ফরম পূরণ করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং অকৃতকার্য হন।

 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা শিক্ষার মানোন্নয়নে সাধ্যমতো মনিটরিং করে আসছি। এই প্রতিষ্ঠানে কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক শিক্ষার্থী না থাকায় ইতিমধ্যে কর্তৃপক্ষ উচ্চমাধ্যমিকের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।’

 

Share this news as a Photo Card