১০:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে জনগণ বিরোধী দলকেই লালকার্ড দেখিয়েছে: প্রিন্স

 

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করে সরকারকে লালকার্ড দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বিরোধী দল। কিন্তু সচেতন জনগণ উল্টো বিরোধী দলকেই লালকার্ড দেখিয়ে বিএনপির প্রার্থীকে বিজয়ী করেছে। এই ফলাফল থেকে বিরোধী দলগুলোর শিক্ষা নেওয়া উচিত।

 

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের উত্তর রামনগর (বনপাড়া) এলাকায় ১০ শয্যাবিশিষ্ট ধুরাইল ইউনিয়ন হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের শুরু থেকেই জামায়াত-এনসিপি জোটের নেতারা বিভিন্ন ইস্যুতে অপপ্রচার চালিয়েছেন। বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করে সরকারকে লালকার্ড দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলে জনগণ বিএনপির ওপরই আস্থা রেখেছে।

 

তিনি বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ফলাফল বিরোধী দলের জন্য একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা। জনগণ এখন নেতিবাচক নয়, ইতিবাচক রাজনীতি দেখতে চায়। তারা জানে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপি সরকার জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে।’

 

বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, গণবিক্ষোভ কিংবা লংমার্চের নামে গণদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী গঠনমূলক বিকল্প প্রস্তাব দিতে হবে। দেশ পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সহযোগিতা করতে হবে।

 

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের দাবি উত্থাপন, সরকারের সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার রয়েছে। বিএনপি সরকার সেই অধিকারকে সম্মান করে। তবে আন্দোলনের নামে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করা কিংবা নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

 

জামায়াত-এনসিপি জোটের নেতাদের সমালোচনা করে প্রিন্স অভিযোগ করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তাঁরা বিভিন্ন ইস্যুতে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।

 

তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণ আর সংঘাত, বিশৃঙ্খলা ও নেতিবাচক রাজনীতি দেখতে চায় না। জনগণ চায় শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা। অথচ বিরোধী দলের একটি অংশ গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ভুলে সংঘাতমুখী রাজনীতিতে ফিরে যাচ্ছে।

 

প্রিন্স বলেন, ‘বিরোধী দল সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিক, জনস্বার্থে বিকল্প প্রস্তাব দিক, সংসদে ও রাজপথে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করুক। কিন্তু গণদুর্ভোগ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা থেকে বিরত থাকুক। গণতন্ত্র মানে শুধু দাবি আদায়ের আন্দোলন নয়, জাতীয় স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণও।’

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসনে যারা সহযোগিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

 

এদিকে হাসপাতালের নির্মাণকাজ উদ্বোধন প্রসঙ্গে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি আমি ভুলিনি, ভুলবও না। নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক, জনগণের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা অপরিবর্তিত রয়েছে। নির্বাচনের আগে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছিলাম। ধুরাইল ইউনিয়নে হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হলো।’

 

তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ার প্রতিটি ইউনিয়নে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ নিজ এলাকায় চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়ন কর্মসূচির (আইআরডিপি) অর্থায়নে এজেকেএস ফাউন্ডেশন ও সোহাগ ট্রেডার্স কনসোর্টিয়ামের উদ্যোগে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ শয্যাবিশিষ্ট ধুরাইল ইউনিয়ন হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে ২৩ জনের সরাসরি স্থায়ী কর্মসংস্থান এবং সেবাসংশ্লিষ্ট খাতে আরও অর্ধশতাধিক মানুষের অস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

পূর্ব রামনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ধুরাইল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক প্রভাষক মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া আবুল, সদস্যসচিব আবু হাসনাত বদরুল কবির, আইআরডিপির এপিডি কুতুবুল আলম, সোহাগ কনস্ট্রাকশনের চেয়ারম্যান আকিকুল ইসলাম সোহাগ, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ, মোস্তফা মাস্টার, এমদাদ মেম্বার ও আরিফ রব্বানীসহ স্থানীয় নেতারা।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে জনগণ বিরোধী দলকেই লালকার্ড দেখিয়েছে: প্রিন্স

প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পূর্তিতে ময়মনসিংহ-জামালপুরে যুবদলের শোভাযাত্রা

28 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে জনগণ বিরোধী দলকেই লালকার্ড দেখিয়েছে: প্রিন্স

পোষ্টের সময় : ১১:২০:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

 

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করে সরকারকে লালকার্ড দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বিরোধী দল। কিন্তু সচেতন জনগণ উল্টো বিরোধী দলকেই লালকার্ড দেখিয়ে বিএনপির প্রার্থীকে বিজয়ী করেছে। এই ফলাফল থেকে বিরোধী দলগুলোর শিক্ষা নেওয়া উচিত।

 

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের উত্তর রামনগর (বনপাড়া) এলাকায় ১০ শয্যাবিশিষ্ট ধুরাইল ইউনিয়ন হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের শুরু থেকেই জামায়াত-এনসিপি জোটের নেতারা বিভিন্ন ইস্যুতে অপপ্রচার চালিয়েছেন। বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করে সরকারকে লালকার্ড দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলে জনগণ বিএনপির ওপরই আস্থা রেখেছে।

 

তিনি বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ফলাফল বিরোধী দলের জন্য একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা। জনগণ এখন নেতিবাচক নয়, ইতিবাচক রাজনীতি দেখতে চায়। তারা জানে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপি সরকার জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে।’

 

বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, গণবিক্ষোভ কিংবা লংমার্চের নামে গণদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী গঠনমূলক বিকল্প প্রস্তাব দিতে হবে। দেশ পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সহযোগিতা করতে হবে।

 

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের দাবি উত্থাপন, সরকারের সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার রয়েছে। বিএনপি সরকার সেই অধিকারকে সম্মান করে। তবে আন্দোলনের নামে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করা কিংবা নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

 

জামায়াত-এনসিপি জোটের নেতাদের সমালোচনা করে প্রিন্স অভিযোগ করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তাঁরা বিভিন্ন ইস্যুতে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।

 

তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণ আর সংঘাত, বিশৃঙ্খলা ও নেতিবাচক রাজনীতি দেখতে চায় না। জনগণ চায় শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা। অথচ বিরোধী দলের একটি অংশ গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ভুলে সংঘাতমুখী রাজনীতিতে ফিরে যাচ্ছে।

 

প্রিন্স বলেন, ‘বিরোধী দল সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিক, জনস্বার্থে বিকল্প প্রস্তাব দিক, সংসদে ও রাজপথে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করুক। কিন্তু গণদুর্ভোগ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা থেকে বিরত থাকুক। গণতন্ত্র মানে শুধু দাবি আদায়ের আন্দোলন নয়, জাতীয় স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণও।’

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসনে যারা সহযোগিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

 

এদিকে হাসপাতালের নির্মাণকাজ উদ্বোধন প্রসঙ্গে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি আমি ভুলিনি, ভুলবও না। নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক, জনগণের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা অপরিবর্তিত রয়েছে। নির্বাচনের আগে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছিলাম। ধুরাইল ইউনিয়নে হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হলো।’

 

তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ার প্রতিটি ইউনিয়নে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ নিজ এলাকায় চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়ন কর্মসূচির (আইআরডিপি) অর্থায়নে এজেকেএস ফাউন্ডেশন ও সোহাগ ট্রেডার্স কনসোর্টিয়ামের উদ্যোগে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ শয্যাবিশিষ্ট ধুরাইল ইউনিয়ন হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে ২৩ জনের সরাসরি স্থায়ী কর্মসংস্থান এবং সেবাসংশ্লিষ্ট খাতে আরও অর্ধশতাধিক মানুষের অস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

পূর্ব রামনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ধুরাইল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক প্রভাষক মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া আবুল, সদস্যসচিব আবু হাসনাত বদরুল কবির, আইআরডিপির এপিডি কুতুবুল আলম, সোহাগ কনস্ট্রাকশনের চেয়ারম্যান আকিকুল ইসলাম সোহাগ, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ, মোস্তফা মাস্টার, এমদাদ মেম্বার ও আরিফ রব্বানীসহ স্থানীয় নেতারা।

 

Share this news as a Photo Card