নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার মাঘান উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে মনোনীত যোগ্য প্রার্থীকে উপেক্ষা করে দুইজন স্থানীয় আওয়ামী লীগের সমর্থককে অর্ন্তভুক্তির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে পদবঞ্চিত উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এই অভিযোগ করেন।
মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ¦ ফারুক আহম্মদ রোববার সাংবাদিকদের জানান, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবার পর মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। জানুয়ারী মাসে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে অভিবাবকসহ ইউনিয়ন বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আমাকে এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে এককভাবে নাম প্রস্তাব করা হয়। সভার সিদ্ধান্ত তাৎক্ষনিকভাবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক এডহক কমিটির নাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রেরনে তালবাহানা করে সময়ক্ষেপন শুরু করেন। রমজান মাসের শুরুতে দিই দিচ্ছি করে পরবর্তীতে গোপনে তিনি সাবেক এমপি রেবেকা মমিন ও সাবেক এমপি সাজ্জাদুল হাসানের আস্থাভাজন আওয়ামীলীগ পরিবারের মো. শাহারিয়া করিম ও দিদারুল ইসলাম খান পাঠানের নাম এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রেরন করেন।
জেলা প্রশাসকের কার্যলয় থেকে ৭ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ময়মনসিংহের চেয়ারম্যান বরাবর এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে আ’লীগ সমর্থকদের নাম যথাক্রমে সামনে রেখে আমার নাম প্রথম স্থান থেকে সড়িয়ে ৩নং ক্রমিকে দেয়া হয়েছে। আমি কমিটির মনোনয়ন চুড়ান্ত না করার জন্য বোর্ড চেয়ারম্যানের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মির্জা আবুল আসাদ জানান, আমি কমিটিতে আওয়ামী লীগের কারো নাম দেইনি। উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের নাম দিয়েছেন। এখানে আমার কিছু করার নেই।
মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সেলিম কারনায়েল বলেন, মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির জন্য যাদের নাম দেয়া হয়েছে তারা বিএনপি ঘরানার লোক। তারা আওয়ামী লীগ করেছে বলে আমার জানা নেই। আমরা জানি তারা বিএনপিপর্ন্থী।




















