১২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতে অ্যাজমা: শ্বাসকষ্ট এড়াতে করণীয়

Boy coughs by closing his mouth by hands

 

শীতকালে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীদের জন্য সমস্যা বেড়ে যায়। বাংলাদেশের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বছরে শীতকালে অ্যাজমায় আক্রান্ত হন। এই সময়ে ঠান্ডা, শুষ্ক বাতাস, ঘরের ধুলাবালি, কুয়াশা ও ভাইরাস সংক্রমণ শ্বাসনালী সংকুচিত করে শ্বাসকষ্ট বাড়ায়।

 

শীতে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের জন্য করণীয়:

 

বাইরে বের হলে নাক ও মুখ ঢেকে রাখুন। স্কার্ফ বা মাস্ক ব্যবহার করলে শ্বাসের বাতাস আর্দ্র ও গরম থাকবে।

 

ভোর বা রাতের শীতে বাইরের ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন।

 

উষ্ণ পোশাক পরিধান করুন।

 

ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ থাকলেও পর্যাপ্ত রোদ ও বাতাস চলাচল নিশ্চিত করুন।

 

হিটার ব্যবহারে বাতাস অতিরিক্ত শুষ্ক না হয়, প্রয়োজনে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন।

 

তামাক, সিগারেট ও মশার কয়েলের ধোঁয়া এড়িয়ে চলুন।

 

প্রয়োজনে রিলিভার ইনহেলার সঙ্গে রাখুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

 

নিয়মিত নিয়ন্ত্রক ওষুধ বা প্রিভেন্টিভ ইনহেলার ব্যবহার করুন।

 

ফ্লু ও নিউমোনিয়ার টিকা নিন।

 

সংক্রমণ এড়াতে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে রাখুন এবং অসুস্থ মানুষের কাছাকাছি যাওয়া এড়ান।

 

পর্যাপ্ত উষ্ণ জল বা ক্যাফেইনমুক্ত গরম পানীয় পান করুন। এটি শ্বাসনালির শ্লেষ্মা পাতলা রাখতে সাহায্য করে।

 

শীতকালে ঘর পরিচ্ছন্ন রাখুন। লেপ, বিছানাপত্র ও কার্পেট রোদে শুকান। নিয়মিত হালকা গরম পানি পান করুন। ইনহেলার ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করলে শ্বাসকষ্ট ও কফ কমানো সম্ভব।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

কেন্দুয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর শুভ উদ্বোধন

ইউক্রেনের স্কুলভবনে রুশ বোমা হামলায় নিহত ৩৩, নিখোঁজ ৫০

04 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

শীতে অ্যাজমা: শ্বাসকষ্ট এড়াতে করণীয়

পোষ্টের সময় : ১০:৪১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

 

শীতকালে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীদের জন্য সমস্যা বেড়ে যায়। বাংলাদেশের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বছরে শীতকালে অ্যাজমায় আক্রান্ত হন। এই সময়ে ঠান্ডা, শুষ্ক বাতাস, ঘরের ধুলাবালি, কুয়াশা ও ভাইরাস সংক্রমণ শ্বাসনালী সংকুচিত করে শ্বাসকষ্ট বাড়ায়।

 

শীতে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের জন্য করণীয়:

 

বাইরে বের হলে নাক ও মুখ ঢেকে রাখুন। স্কার্ফ বা মাস্ক ব্যবহার করলে শ্বাসের বাতাস আর্দ্র ও গরম থাকবে।

 

ভোর বা রাতের শীতে বাইরের ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন।

 

উষ্ণ পোশাক পরিধান করুন।

 

ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ থাকলেও পর্যাপ্ত রোদ ও বাতাস চলাচল নিশ্চিত করুন।

 

হিটার ব্যবহারে বাতাস অতিরিক্ত শুষ্ক না হয়, প্রয়োজনে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন।

 

তামাক, সিগারেট ও মশার কয়েলের ধোঁয়া এড়িয়ে চলুন।

 

প্রয়োজনে রিলিভার ইনহেলার সঙ্গে রাখুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

 

নিয়মিত নিয়ন্ত্রক ওষুধ বা প্রিভেন্টিভ ইনহেলার ব্যবহার করুন।

 

ফ্লু ও নিউমোনিয়ার টিকা নিন।

 

সংক্রমণ এড়াতে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে রাখুন এবং অসুস্থ মানুষের কাছাকাছি যাওয়া এড়ান।

 

পর্যাপ্ত উষ্ণ জল বা ক্যাফেইনমুক্ত গরম পানীয় পান করুন। এটি শ্বাসনালির শ্লেষ্মা পাতলা রাখতে সাহায্য করে।

 

শীতকালে ঘর পরিচ্ছন্ন রাখুন। লেপ, বিছানাপত্র ও কার্পেট রোদে শুকান। নিয়মিত হালকা গরম পানি পান করুন। ইনহেলার ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করলে শ্বাসকষ্ট ও কফ কমানো সম্ভব।

 

Share this news as a Photo Card