আজ ৬ এপ্রিল পালিত হচ্ছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নানা আয়োজনের মাধ্যমে ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস ২০২৫’ উদযাপন করা হচ্ছে।
আধুনিক অলিম্পিক গেমসের সূচনা হয় ১৮৯৬ সালের ৬ এপ্রিল গ্রীসের অ্যাথেন্সে। সেই স্মরণে এ দিনটিকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
‘তারুণ্যের অংশগ্রহণ, খেলাধুলার মানোন্নয়ন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা, ফুটবল টুর্নামেন্টসহ নানা আয়োজন রয়েছে। কর্মসূচিগুলোর প্রধান অতিথি থাকবেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সকাল ১০টায় র্যালি শেষে জাতীয় স্টেডিয়ামে সুবিধাবঞ্চিত অনূর্ধ্ব-১৭ শিশুদের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ দুটি অংশে ভাগ করে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ও ফাইনাল ম্যাচ জাতীয় স্টেডিয়ামে এবং বাকি খেলাগুলো মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সকাল ১১টায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটোরিয়ামে প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া দেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর উদ্যোগে র্যালি, আলোচনা সভা ও প্রীতি ম্যাচসহ নানা আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হবে।
সময়ের পরিক্রমায় দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর বুনিয়াদ শক্ত হয়েছে। রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্রীড়ার বিস্তৃতি ব্যাপকভাবে বেড়েছে। দেশের সব উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ১২৫টি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হয়েছে। আরও ২০১টি উপজেলায় এ রূপ মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
পাশাপাশি ৪টি বিভাগীয় স্টেডিয়াম, ৬৪টি জেলায় ৬৮টি জেলা স্টেডিয়ামসহ দেশব্যাপী ১৮টি সুইমিংপুল, ১০টি কিট ইনডোর স্টেডিয়াম, ৭টি ক্রীড়া কমপ্লেক্স, ৬টি অন্যান্য প্রকৃতির স্টেডিয়াম ইত্যাদি ক্রীড়া কর্মকাণ্ডের প্রতিটিতে রয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ছোঁয়া।
























