রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের দরকার হবে না। তিনি বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করার মতো পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি ও সম্পদ রয়েছে রাশিয়ার হাতে।
রোববার (৪ মে) রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত একটি ডকুমেন্টারিতে সাংবাদিক পাভেল জারুবিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযান শুরুর পর এখন পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন হয়নি। ভবিষ্যতেও এমন প্রয়োজন হবে না বলেই তিনি মনে করেন।
পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা করে পুতিন বলেন, তারা রাশিয়াকে উসকানি দিয়ে ভুল করতে চেয়েছিল, কিন্তু রাশিয়া সেই ফাঁদে পা দেয়নি। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের মাধ্যমে রাশিয়া তার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে সক্ষম হবে।
সাক্ষাৎকারে পুতিন দাবি করেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের পুনর্মিলন অনিবার্য, যদিও যুদ্ধের কারণে উভয় দেশই গভীর কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, ২০০০ সালের পর থেকে পশ্চিমারা রাশিয়াকে বিভক্ত করার চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। মিনস্ক চুক্তি নিয়েও তিনি বলেন, রাশিয়া তখন সৎভাবে চুক্তির প্রতি আস্থা রেখেছিল, কিন্তু প্রতারণার শিকার হয়েছিল।
পুতিন আরও বলেন, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া অধিগ্রহণ ছিল বাধ্যতামূলক। তার ভাষায়, অন্য কোনো পদক্ষেপ মানে হতো সেখানকার জনগণকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দেওয়া।
এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন চলছে টানা তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে, এবং যুদ্ধ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
























