১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনামূল্যে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং অনুষ্ঠিত

 

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্ত রোগ যা পিতা-মাতা থেকে সন্তানের বাহিত হয়ে থাকে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশের থ্যালাসেমিয়া বাহকের সংখ্যা ১১.৪ শতাংশ। প্রতিবছর কত সংখ্যক শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্ম নেয় তার সঠিক সংখ্যাটি অজানা। এর মূল কারণ হলো থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে আমরা উদাসীন এবং সচেতনতার অভাব। এরকম পরিস্থিতিতে থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বেস কেয়ার ফাউন্ডেশন ইউকের অর্থায়নে এবং জেনেক্স হেলথের প্রযুক্তিগত সহায়তায় দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মাঝে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা এবং ফ্রি স্ক্রীনিং নিয়ে কাজ করছে স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োটেড (BioTED)।

 

প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে প্রায় ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় এ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে তারা। তারই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ১৬ই মে অনুষ্ঠিত হলো “থ্যালাসেমিয়া অ্যাওয়ারনেস এন্ড স্ক্রিনিং ক্যাম্পেইন”। এই ক্যাম্পেইনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

 

বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, যদিও দেশের অনেক থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে তারপরও জনসাধারণের মাঝে এই রোগ নিয়ে সচেতনতা নেই বললেই চলে। তরুণ প্রজন্মের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা হলে, ভবিষ্যতে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপ এই ক্যাম্পেইনে সহ-আয়োজক হিসেবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। রোভার স্কাউটের তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বিনামূল্যে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষার জন্য রক্ত সংগ্রহের আয়োজন করা হয়।

 

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রোগ। বিবাহের পূর্বে পরীক্ষার মাধ্যমে বাহক নির্ণয় করা সম্ভব হলে এবং বাহক-বাহক বিয়ে বন্ধ করা গেলে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা সম্ভব। সেজন্য প্রয়োজন সচেতনতা এবং পরীক্ষার মাধ্যমে বাহক নির্ণয়ের উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হতে পারে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা তৈরীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক কর্মসূচির মাধ্যমেই দেশে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞগণ। ‌স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োটেড (BioTED) বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই থ্যালাসেমিয়া সহ তরুণ প্রজন্মের অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশে সচেতনতামূলক এবং গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

 

দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ উদ্যোগে বায়োটেড (BioTED) কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিগত প্রায় এক বছর ধরে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের মাঝে থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যে বায়োটেড “এওয়ারনেস এন্ড স্ক্রিনিং ক্যাম্পেইন” পরিচালনা করছে। বায়োটেডের (BioTED) প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ সওগাতুল ইসলাম বলেন, এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় সহ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থ্যালাসেমিয়া রোগের বিরুদ্ধে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা সম্ভব। ধীরে ধীরে সেই কর্মসূচি সামাজিক পর্যায়েও ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধ করতে হলে প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন এবং সামাজিকভাবে এই সমস্যার মোকাবেলা করা সম্ভব হলে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা সম্ভব। সচেতনতাই হচ্ছে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করার প্রথম পদক্ষেপ।

 

‎তিনি আরও বলেন, বংশগত রোগ হওয়ার কারণে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধযোগ্য, কিন্তু পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য নয়। নিরাময়ের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল যা অধিকাংশ মানুষের সক্ষমতার বাইরে। তাই সচেতনতা এবং প্রতিরোধই একমাত্র পথ। স্বামী এবং স্ত্রী দু’জনই যদি থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার হই, তবে আমাদের সন্তান এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি খুব বেশি থাকে। তাই রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এই ঝুঁকি জানা সম্ভব। এসময় তিনি সবাইকে বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা, থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার হলে সতর্ক সিদ্ধান্ত নেয়া এবং পরিবার ও সমাজে এ বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু জন্মগ্রহণ করে যার অধিকাংশই পাঁচ বছর বয়সের পূর্বে মারা যায় বলে ধারণা করা হয়। ‌উদ্বেগের বিষয় হলো এসব শিশু জন্মগ্রহণ করার পরে বাবা-মা জানতে পারেন যে তারা থ্যালাসেমিয়ার বাহক ছিলেন। তাই থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধ করতে হলে অবশ্যই ব্যাপক ভিত্তিক স্ক্রিনিং এর মাধ্যমে দেশের সমস্ত নাগরিকের জন্য থ্যালাসেমিয়া বাহক নির্ণয় বাধ্যতামূলক করা উচিত। যাতে বাহক এবং বাহকের বিয়ের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু জন্মের হার ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।ড: সওগাত আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সরকারি সহায়তা পেলে ধীরে ধীরে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা এবং স্ক্রিনিং কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন কলেজ, মেডিকেল কলেজ সহ অন্যান্য উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেয়ার ব্যাপারে তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠান বায়োটেড বদ্ধপরিকর।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

বকশীগঞ্জে ১২৯৫ পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

তথ্য গোপন করায় ময়মনসিংহের ৬ ছাত্রদল নেতাকে অব্যাহতি

16 May 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনামূল্যে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং অনুষ্ঠিত

পোষ্টের সময় : ০১:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

 

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্ত রোগ যা পিতা-মাতা থেকে সন্তানের বাহিত হয়ে থাকে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশের থ্যালাসেমিয়া বাহকের সংখ্যা ১১.৪ শতাংশ। প্রতিবছর কত সংখ্যক শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্ম নেয় তার সঠিক সংখ্যাটি অজানা। এর মূল কারণ হলো থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে আমরা উদাসীন এবং সচেতনতার অভাব। এরকম পরিস্থিতিতে থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বেস কেয়ার ফাউন্ডেশন ইউকের অর্থায়নে এবং জেনেক্স হেলথের প্রযুক্তিগত সহায়তায় দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মাঝে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা এবং ফ্রি স্ক্রীনিং নিয়ে কাজ করছে স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োটেড (BioTED)।

 

প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে প্রায় ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় এ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে তারা। তারই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ১৬ই মে অনুষ্ঠিত হলো “থ্যালাসেমিয়া অ্যাওয়ারনেস এন্ড স্ক্রিনিং ক্যাম্পেইন”। এই ক্যাম্পেইনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

 

বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, যদিও দেশের অনেক থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে তারপরও জনসাধারণের মাঝে এই রোগ নিয়ে সচেতনতা নেই বললেই চলে। তরুণ প্রজন্মের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা হলে, ভবিষ্যতে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপ এই ক্যাম্পেইনে সহ-আয়োজক হিসেবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। রোভার স্কাউটের তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বিনামূল্যে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষার জন্য রক্ত সংগ্রহের আয়োজন করা হয়।

 

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রোগ। বিবাহের পূর্বে পরীক্ষার মাধ্যমে বাহক নির্ণয় করা সম্ভব হলে এবং বাহক-বাহক বিয়ে বন্ধ করা গেলে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা সম্ভব। সেজন্য প্রয়োজন সচেতনতা এবং পরীক্ষার মাধ্যমে বাহক নির্ণয়ের উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হতে পারে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা তৈরীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক কর্মসূচির মাধ্যমেই দেশে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞগণ। ‌স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োটেড (BioTED) বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই থ্যালাসেমিয়া সহ তরুণ প্রজন্মের অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশে সচেতনতামূলক এবং গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

 

দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ উদ্যোগে বায়োটেড (BioTED) কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিগত প্রায় এক বছর ধরে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের মাঝে থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যে বায়োটেড “এওয়ারনেস এন্ড স্ক্রিনিং ক্যাম্পেইন” পরিচালনা করছে। বায়োটেডের (BioTED) প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ সওগাতুল ইসলাম বলেন, এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় সহ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থ্যালাসেমিয়া রোগের বিরুদ্ধে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা সম্ভব। ধীরে ধীরে সেই কর্মসূচি সামাজিক পর্যায়েও ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধ করতে হলে প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন এবং সামাজিকভাবে এই সমস্যার মোকাবেলা করা সম্ভব হলে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা সম্ভব। সচেতনতাই হচ্ছে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করার প্রথম পদক্ষেপ।

 

‎তিনি আরও বলেন, বংশগত রোগ হওয়ার কারণে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধযোগ্য, কিন্তু পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য নয়। নিরাময়ের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল যা অধিকাংশ মানুষের সক্ষমতার বাইরে। তাই সচেতনতা এবং প্রতিরোধই একমাত্র পথ। স্বামী এবং স্ত্রী দু’জনই যদি থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার হই, তবে আমাদের সন্তান এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি খুব বেশি থাকে। তাই রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এই ঝুঁকি জানা সম্ভব। এসময় তিনি সবাইকে বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা, থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার হলে সতর্ক সিদ্ধান্ত নেয়া এবং পরিবার ও সমাজে এ বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু জন্মগ্রহণ করে যার অধিকাংশই পাঁচ বছর বয়সের পূর্বে মারা যায় বলে ধারণা করা হয়। ‌উদ্বেগের বিষয় হলো এসব শিশু জন্মগ্রহণ করার পরে বাবা-মা জানতে পারেন যে তারা থ্যালাসেমিয়ার বাহক ছিলেন। তাই থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধ করতে হলে অবশ্যই ব্যাপক ভিত্তিক স্ক্রিনিং এর মাধ্যমে দেশের সমস্ত নাগরিকের জন্য থ্যালাসেমিয়া বাহক নির্ণয় বাধ্যতামূলক করা উচিত। যাতে বাহক এবং বাহকের বিয়ের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু জন্মের হার ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।ড: সওগাত আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সরকারি সহায়তা পেলে ধীরে ধীরে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা এবং স্ক্রিনিং কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন কলেজ, মেডিকেল কলেজ সহ অন্যান্য উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেয়ার ব্যাপারে তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠান বায়োটেড বদ্ধপরিকর।

 

Share this news as a Photo Card