নেত্রকোনা -৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনে ধানের শীষে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। এই আসন থেকে এরআগেও তিনবার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচনের পর বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
নিজের আসনের লোকজন সহ জেলার মানুষের দাবি – বিগত সময়ে সফলভাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন লুৎফুজ্জামান বাবর। তাই এবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্বে তাঁকে দেখতে চান। দলটির প্রতি এমন দাবি জানিয়েছেন দলের নেতাকর্মীসহ নেত্রকোনার মানুষ।
এ বিষয়ে মদন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার ও সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ বলেন, ‘লুৎফুজ্জামান বাবর ভাই একজন সৎ ও নীতিবান মানুষ। বিগত সময়ে তিনি সফলভাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশের ক্লান্তিলগ্নে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা ও জনকল্যাণের স্বার্থে তাঁকে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করা হোক এটাই নেত্রকোনা-৪ মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী বাসীর দাবি। এতে দেশের মানুষ নিরাপদ থাকবে।’
এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন বলেন, লুৎফুজ্জামান বাবর একজন ন্যায়পরায়ন মানুষ। বিগত সময়ে সময়ে তিনি সফলভাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ দেশের কল্যাণের জন্য তাঁকে (বাবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হোক। আমরা নেত্রকোনাবাসী এই দাবি জানাই। এতে দেশের মানুষ নিরাপদে থাকবে।
জনগণ দাবি জানাচ্ছে আপনি আবারও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পান এমন প্রশ্নের জবাবে, লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, আমি কখনও কোন কিছুই চাইনি, কোন কিছুর জন্য আবদার করিনি,তবে আমাকে যদি দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করব। এর সাথে আমার নেতা যে ৩১ দফা দিয়েছে তা আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করব ইনশাআল্লাহ। আমাকে যারা ভোট দিয়ে পাস করিয়েছে তাদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞা প্রকাশ করছি।
শুক্রবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় জানা গেছে, নেত্রকোনা -৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা হল ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৩১২ জন। বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৩০৭ জন। বাতিলকৃত ভোট ৬১০৬টি।
এতে ধানের শীষ প্রতীকে লুৎফুজ্জামান বাবর পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৫১ ভোট। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩০৯ ভোট। অথাৎ ১ লাখ ২১ হাজার ৪২ ভোটে ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বাবর।





















