ভালুকা-গফরগাঁও সড়কের বিরুনিয়া মোড় হতে চান্দরাটি মাহমুদপুর হয়ে বিরুনিয়া বাজার পর্যন্ত পাকা সড়কটির বিভিন্ন অংশের কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দে বর্ষার পানি জমে যানবাহন চলাচলে বিগ্ন হওয়ায় জন দুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। এসব খানাখন্দে বৃষ্টির সময় চলাচলকারী অটো সিএনজি উল্টে প্রায়ই লোকজন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
০১ জুন রোববার সরজমিন মাহমুদপুর চান্দরাটি অংশে দেখা যায় রাস্তার দুই পাশে মৎস্য খামার মাঝখানের সড়কের সম্পুর্ণ কার্পেটিং উঠে গর্তে পানি জমে রয়েছে। ওই এলাকার চান্দরাটি গ্রামের মফিজ মোল্লা জানান বেশ কয়েকমাস যাবৎ এ সড়কে মাটি বাহী ড্রাম ট্রাক রাতদিন চলাচল করে রাস্তাটির ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। বর্ষা আসার সাথে সাথে অতি বৃষ্টিতে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত খানাখন্দক সৃষ্টি হয়ে যান বাহন ও পথচারিদের চলাচলে ব্যাপক বিগ্নের সৃষ্টি হচ্ছে।
ভালুকা-গফরগাঁও সড়কের বিরুনিয়া মোড় হতে বিরুনিয়া বাজার পর্যন্ত ৬.৭৬০ কিমি পাকা সড়কের বাঁওয়াপাড়া, চান্দরাটি ও মাহমুদপুর অংশে রাস্তা ভেঙ্গে খানাখন্দক হওয়ায় যাত্রী ও মালামাল পরিবহনে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। ওই রাস্তায় চলাচল কারী সি এন জি চালক নাজমুল জানান ভালুকা হতে প্রতিদিন এ সড়কে মাহমুদপুর হয়ে বিরুনিয় বাজার, সুতিয়া নদীর ব্রীজ পার হয়ে মশাখালী, লাউতৈল হয়ে গফরগাঁও প্রতিদিন দেড় দুইশ অটো সিএনজি চলাচল করে যাত্রী নিয়ে।
খানা খন্দকের কারনে এ সড়কে অটো সিএনজি চলাচল কমে যাওয়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে। উপজেলা প্রকৌশল অফিসে যোগাযোগ করা হলে জানাযায় ওই রাস্তাটি পুণঃ সংস্কারের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
যানবাহন চালক ও যাত্রীদের দাবী দুর্ভোগের হাত থেকে বাঁচাতে গুরুত্বপুর্ণ এ সড়কটি দ্রæত সংস্কারে কর্তৃপক্ষ নজর দিবেন।




















