০৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেনেসাঁ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার অপসারণ দাবিতে ময়মনসিংহে বিক্ষোভ

 

ময়মনসিংহ সদরের রেনেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বমোট ২৬ জন। এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন দিনের পর দিন নানান অনিয়ম ও নীতি বহির্ভূত কাজ করে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টিকে।

 

বৃহস্পতিবার অত্র এলাকাবাসীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষিকা সরাসরি সাক্ষাৎ ও আলোচনা সভার কথা থাকলেও তিনি আসেননি স্কুলে।

 

এই নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে অত্র এলাকাবাসী বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে। তারা বলেন, প্রধান শিক্ষিকা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে। টাকা পাওনা না থাকলেও তিনি পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থী দের এডমিট কার্ড দেন না। পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত ফি আদায় করেন। এছাড়াও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তিনি মনগড়া দায়িত্ব পালন করছেন। প্রায়ই তিনি স্কুলে আসেন না। আসলেও ১২ টায় চলে যান তিনি।

 

এ নিয়ে প্রধান শিক্ষিকাকে ফোন দিলে তিনি মুঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন আমি আজকে স্কুলে আসবো না। আজকের মিটিং টা ক্যান্সেল করা হয়েছিল। আপনারা আসবেন আমাদের আগে জানাবেন না।

 

এই বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে অফিসে পাওয়া যায় নি। তিনি অফিসের কাজে বাহিরে ছিলেন।

 

এলাকাবাসীর দাবি এই শিক্ষিকাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক । পুনরায় স্কুলটিকে আগের চিত্রে আমরা দেখতে চাই।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

আওয়ামী অপতৎপরতা ও মাদকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে শেষ হলো বাকৃবি সোহরাওয়ার্দী হলের ‘ক্রিমসন হাইস্ট’ ফিস্ট

20 June 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

রেনেসাঁ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার অপসারণ দাবিতে ময়মনসিংহে বিক্ষোভ

পোষ্টের সময় : ০৬:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

 

ময়মনসিংহ সদরের রেনেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বমোট ২৬ জন। এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন দিনের পর দিন নানান অনিয়ম ও নীতি বহির্ভূত কাজ করে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টিকে।

 

বৃহস্পতিবার অত্র এলাকাবাসীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষিকা সরাসরি সাক্ষাৎ ও আলোচনা সভার কথা থাকলেও তিনি আসেননি স্কুলে।

 

এই নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে অত্র এলাকাবাসী বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে। তারা বলেন, প্রধান শিক্ষিকা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে। টাকা পাওনা না থাকলেও তিনি পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থী দের এডমিট কার্ড দেন না। পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত ফি আদায় করেন। এছাড়াও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তিনি মনগড়া দায়িত্ব পালন করছেন। প্রায়ই তিনি স্কুলে আসেন না। আসলেও ১২ টায় চলে যান তিনি।

 

এ নিয়ে প্রধান শিক্ষিকাকে ফোন দিলে তিনি মুঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন আমি আজকে স্কুলে আসবো না। আজকের মিটিং টা ক্যান্সেল করা হয়েছিল। আপনারা আসবেন আমাদের আগে জানাবেন না।

 

এই বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে অফিসে পাওয়া যায় নি। তিনি অফিসের কাজে বাহিরে ছিলেন।

 

এলাকাবাসীর দাবি এই শিক্ষিকাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক । পুনরায় স্কুলটিকে আগের চিত্রে আমরা দেখতে চাই।

 

Share this news as a Photo Card