বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে ইলন মাস্ক নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছেন। ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন শেষে তার সম্পদের পরিমাণ সাময়িকভাবে ৫০ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছিল। যদিও দিনের শেষে এটি সামান্য কমে ৪৯,৯০০ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। ফোর্বসের সর্বশেষ বিলিয়নিয়ার সূচক অনুযায়ী মাস্কের এই বিপুল সম্পদ তাকে বিশ্বের এক নম্বর ধনী ব্যক্তির অবস্থানে স্থাপন করেছে।
মাস্কের সম্পদের বড় অংশ আসে টেসলা কোম্পানিতে তার শেয়ার মালিকানা থেকে। তার হাতে টেসলার ১২ শতাংশেরও বেশি শেয়ার রয়েছে। এছাড়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেন্দ্রিক স্টার্টআপ এক্সএআই এবং রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স-এর পাশাপাশি অন্যান্য ব্যবসা থেকেও তার সম্পদ গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি। তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৫,৭০০ কোটি ডলার। গত মাসে অল্প সময়ের জন্য এলিসন মাস্ককে পেছনে ফেললেও, বর্তমানে মাস্ক আবার শীর্ষে পৌঁছেছেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মাস্কের সাম্প্রতিক উত্থান তার রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়ে ব্যবসায় মনোযোগ দেয়ার ফল। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে এবং তার কোম্পানির শেয়ার মূল্যেরও ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।
টেসলার পরিচালনা পর্ষদ জানিয়েছে, আগামী দশকে মাস্ক যদি কোম্পানির উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য পূরণ করতে পারেন, তবে তিনি এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি পারিশ্রমিক পেতে পারেন। এই পারিশ্রমিকের জন্য তাকে টেসলার বাজারমূল্য আট গুণ বাড়াতে হবে, ১০ লাখ এআই রোবট বিক্রি করতে হবে এবং ১ কোটি ২০ লাখ টেসলা গাড়ি বিক্রির পাশাপাশি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।
এই মাইলফলক ইলন মাস্ককে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তার সম্পদের রেকর্ড এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 






















