০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজ

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • পোষ্টের সময় : ০৮:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৯ ভিউ :

 

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

 

দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোট শেষে সেখানেই ব্যালট গণনা করে ফল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, যিনি এ নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির নামে গেজেট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

 

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনসহ মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০ জন। তবে একটি আসন শূন্য থাকায় এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার রয়েছেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার।

 

৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন

 

বাংলাদেশে সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯১ সালে। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাসের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটে আবদুর রহমান বিশ্বাস জয়ী হন। এরপর প্রায় সাড়ে তিন দশক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হয়নি।

 

দীর্ঘ সময় পর এবার একাধিক প্রার্থী থাকায় সংসদে সরাসরি ভোটের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারও এবারের নির্বাচনকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। দীর্ঘ বিরতির কারণে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতায় কিছুটা ঘাটতি থাকলেও নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

ফখরুল-অলি মুখোমুখি

 

রাষ্ট্রপতি পদে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য প্রার্থী করেছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় দুজনের মধ্যেই আজ ভোট হচ্ছে।

 

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনে মোট তিনটি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। এর মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে একটি এবং অলি আহমদের নামে দুটি মনোনয়নপত্র ছিল। যাচাই-বাছাই শেষে দুই প্রার্থীর একটি করে মনোনয়নপত্র বৈধ থাকে। ফলে নির্বাচনে কার্যত দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

যেভাবে হবে ভোট

 

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা ব্যালট গ্রহণের পর নির্ধারিত স্থানে প্রার্থীর নামের পাশে নিজেদের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। এরপর ব্যালট নির্ধারিত বাক্সে জমা দিতে হবে। বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে গণনা।

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যালট সাদা কাগজে কালো কালিতে ছাপানো হয়েছে। ব্যালটের একটি অংশে ভোটারের ক্রমিক নম্বর, নাম ও বিভক্তি নম্বর থাকবে। অপর অংশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নামের পাশে সংসদ সদস্য নিজের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন।

 

এ নির্বাচন গোপন ব্যালটের প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে ভিন্ন। সিইসি জানিয়েছেন, ব্যালটের ওপর প্রার্থীদের নাম এবং ভোটদাতার স্বাক্ষর থাকায় কে কাকে ভোট দিয়েছেন, তা উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে উন্মুক্ত থাকবে। ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রকাশ্যেই অনুষ্ঠিত হবে।

 

কেন হলো নির্বাচন

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করে নির্বাচন কমিশন। রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

 

জাতীয় সংসদ নিয়মিত অধিবেশনে না থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের বৈঠক আহ্বান করা হয়। নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

রাজনৈতিক গুরুত্ব

 

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ায় এবারের ভোটকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। তবে একাধিক প্রার্থী থাকায় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী ভোটগ্রহণ ও গণনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে। ফলে সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।

 

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির নামে গেজেট প্রকাশ করা হবে। আগামীকাল শুক্রবার নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

হাম নিয়ন্ত্রণে আসতে দুই-তিন মাস লাগবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

19 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজ

পোষ্টের সময় : ০৮:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

 

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

 

দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোট শেষে সেখানেই ব্যালট গণনা করে ফল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, যিনি এ নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির নামে গেজেট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

 

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনসহ মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০ জন। তবে একটি আসন শূন্য থাকায় এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার রয়েছেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার।

 

৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন

 

বাংলাদেশে সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯১ সালে। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাসের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটে আবদুর রহমান বিশ্বাস জয়ী হন। এরপর প্রায় সাড়ে তিন দশক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হয়নি।

 

দীর্ঘ সময় পর এবার একাধিক প্রার্থী থাকায় সংসদে সরাসরি ভোটের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারও এবারের নির্বাচনকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। দীর্ঘ বিরতির কারণে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতায় কিছুটা ঘাটতি থাকলেও নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

ফখরুল-অলি মুখোমুখি

 

রাষ্ট্রপতি পদে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য প্রার্থী করেছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় দুজনের মধ্যেই আজ ভোট হচ্ছে।

 

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনে মোট তিনটি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। এর মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে একটি এবং অলি আহমদের নামে দুটি মনোনয়নপত্র ছিল। যাচাই-বাছাই শেষে দুই প্রার্থীর একটি করে মনোনয়নপত্র বৈধ থাকে। ফলে নির্বাচনে কার্যত দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

যেভাবে হবে ভোট

 

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা ব্যালট গ্রহণের পর নির্ধারিত স্থানে প্রার্থীর নামের পাশে নিজেদের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। এরপর ব্যালট নির্ধারিত বাক্সে জমা দিতে হবে। বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে গণনা।

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যালট সাদা কাগজে কালো কালিতে ছাপানো হয়েছে। ব্যালটের একটি অংশে ভোটারের ক্রমিক নম্বর, নাম ও বিভক্তি নম্বর থাকবে। অপর অংশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নামের পাশে সংসদ সদস্য নিজের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন।

 

এ নির্বাচন গোপন ব্যালটের প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে ভিন্ন। সিইসি জানিয়েছেন, ব্যালটের ওপর প্রার্থীদের নাম এবং ভোটদাতার স্বাক্ষর থাকায় কে কাকে ভোট দিয়েছেন, তা উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে উন্মুক্ত থাকবে। ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রকাশ্যেই অনুষ্ঠিত হবে।

 

কেন হলো নির্বাচন

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করে নির্বাচন কমিশন। রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

 

জাতীয় সংসদ নিয়মিত অধিবেশনে না থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের বৈঠক আহ্বান করা হয়। নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

রাজনৈতিক গুরুত্ব

 

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ায় এবারের ভোটকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। তবে একাধিক প্রার্থী থাকায় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী ভোটগ্রহণ ও গণনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে। ফলে সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।

 

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির নামে গেজেট প্রকাশ করা হবে। আগামীকাল শুক্রবার নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card