১২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবু সাঈদ হত্যার মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ী সাব্যস্ত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ।

 

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২’র চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

 

এর আগে, ২৮ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের জবানবন্দির মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। একই দিনে রংপুরে কর্মরত এনটিভির সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট একেএম মঈনুল হকও সাক্ষ্য দেন। তবে তার জেরা এখনও সম্পন্ন হয়নি। আজ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিক মঈনুলের জেরাও অনুষ্ঠিত হবে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে।

 

এদিন সকালেও মামলার ছয় আসামিকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে ট্রাইব্যুনালে হাজির করবে পুলিশ। এ ছয় আসামি হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।

 

মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হয়। এ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ৬ আগস্ট ট্রাইব্যুনাল ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে এ মামলায় বেরোবির সাবেক ভিসিসহ ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের পক্ষে সরকারি খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয় ২২ জুলাই।

 

পলাতক আসামিদের পক্ষে ৩০ জুলাই রাষ্ট্রনিযুক্ত চার আইনজীবী শুনানি করেন। এর মধ্যে পাঁচজনের হয়ে লড়েন আইনজীবী সুজাত মিয়া। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মামুনুর রশীদ। এছাড়া শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম। ২৯ জুলাই তিন আসামির পক্ষে শুনানি হয়। শরিফুলের হয়ে লড়েন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো, কনস্টেবল সুজনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু এবং ইমরানের পক্ষে আইনজীবী সালাহউদ্দিন রিগ্যান।

 

প্রসিকিউশন ২৮ জুলাই ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ করে। ট্রাইব্যুনাল ৩০ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেন। তদন্ত সংস্থা ২৪ জুন মামলার প্রতিবেদন জমা দেয়। এ মামলায় মোট সাক্ষীর সংখ্যা ৬২ জন।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবির শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ

প্রবাসে মৃত্যুর ২৭ দিন পর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় মরদেহ ফিরল দেশে

07 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

আবু সাঈদ হত্যার মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

পোষ্টের সময় : ১০:০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ী সাব্যস্ত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ।

 

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২’র চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

 

এর আগে, ২৮ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের জবানবন্দির মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। একই দিনে রংপুরে কর্মরত এনটিভির সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট একেএম মঈনুল হকও সাক্ষ্য দেন। তবে তার জেরা এখনও সম্পন্ন হয়নি। আজ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিক মঈনুলের জেরাও অনুষ্ঠিত হবে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে।

 

এদিন সকালেও মামলার ছয় আসামিকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে ট্রাইব্যুনালে হাজির করবে পুলিশ। এ ছয় আসামি হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।

 

মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হয়। এ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ৬ আগস্ট ট্রাইব্যুনাল ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে এ মামলায় বেরোবির সাবেক ভিসিসহ ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের পক্ষে সরকারি খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয় ২২ জুলাই।

 

পলাতক আসামিদের পক্ষে ৩০ জুলাই রাষ্ট্রনিযুক্ত চার আইনজীবী শুনানি করেন। এর মধ্যে পাঁচজনের হয়ে লড়েন আইনজীবী সুজাত মিয়া। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মামুনুর রশীদ। এছাড়া শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম। ২৯ জুলাই তিন আসামির পক্ষে শুনানি হয়। শরিফুলের হয়ে লড়েন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো, কনস্টেবল সুজনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু এবং ইমরানের পক্ষে আইনজীবী সালাহউদ্দিন রিগ্যান।

 

প্রসিকিউশন ২৮ জুলাই ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ করে। ট্রাইব্যুনাল ৩০ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেন। তদন্ত সংস্থা ২৪ জুন মামলার প্রতিবেদন জমা দেয়। এ মামলায় মোট সাক্ষীর সংখ্যা ৬২ জন।

 

Share this news as a Photo Card