নির্বাচনকে সম্পূর্ণভাবে অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপগুলো নিশ্চিত করবে যে ভোট প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত এবং জনগণের আস্থা বজায় থাকবে। তিনি বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডসের নবনিয়ুক্ত রাষ্ট্রদূত বরিস ভ্যান বোমেলের সঙ্গে যমুনা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই তথ্য প্রদান করেন।
ড. ইউনূস বলেন, “নির্বাচনকে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ রাখতে আমাদের একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে কেবল প্রশাসনিক প্রস্তুতি নয়, ভোটারদের নিরাপত্তা এবং ভোটের প্রক্রিয়াও সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নির্বাচন কমিশন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বৃদ্ধি, ভোটারদের তথ্য যাচাই, নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি, এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে স্বচ্ছতার মধ্যে রেখে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। এছাড়া জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণা এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি সতর্ক করেছেন যে, নির্বাচনে বাধা বা অব্যবস্থা সৃষ্টির ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই পদক্ষেপগুলো দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় আস্থা বৃদ্ধি করবে এবং ভবিষ্যতে আরও সুসংহত নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করবে।
নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা শুধু প্রশাসনের কাজ নয়, জনগণের অংশগ্রহণও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই সবাইকে সংযম ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
স্টাফ রিপোর্টার 





















