০২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গতিসীমা মেনে চলে মাত্র এক শতাংশ গাড়ি

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • পোষ্টের সময় : ০৯:৩০:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৪৫ ভিউ :

 

বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃত্যু ও দীর্ঘমেয়াদী অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতির অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনা। রাজধানীর উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় রোড ক্র্যাশে মৃত্যুর ৯৫ শতাংশ ঘটছে ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা পারাপারের কারণে, আর মাত্র এক শতাংশ গাড়ি নির্ধারিত গতিসীমায় চলছে।

 

সোমবার ডিএনসিসি সম্মেলন কক্ষে ‘স্ট্যাটাস সামারি রিপোর্ট-২০২৪’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়। ডিএনসিসি ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় গবেষণা সংস্থা যৌথভাবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ডিএনসিসি প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন জানান, ২০২৩ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ২৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

ডা. শিরিন ওয়াধানিয়া বলেন, রিপোর্টকৃত দুর্ঘটনার ৯৫ শতাংশই ঘটে ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা ব্যবহারকারীর কারণে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মাত্র এক শতাংশ যানবাহন নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলে। মোটরসাইকেলের ৫১ শতাংশ গাড়ি নির্ধারিত গতিসীমার বেশি গতিতে চলেছে।

 

ড. সেলিম মাহমুদ চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালে স্পিড লিমিট গাইডলাইন প্রকাশ করেছে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মান অনুযায়ী। হাইওয়ে ও এক্সপ্রেসওয়ের জন্য সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০ কিমি/ঘণ্টা।

 

মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব মুনিরুজ্জামান বলেন, সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত অনেক ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু আমরা সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার করতে পারছি না। সবাইকে নিজের দায়িত্বে এগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশে ২০২১ সালে রোড ক্র্যাশে ৩১,৫৭৮ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার হার দিন দিন বাড়ছে, এবং তথ্য সংগ্রহের তারতম্য ও আন্ডার রিপোর্টিংয়ের কারণে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

 

ডিএনসিসি ও ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিসের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তায় নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ চালানো হচ্ছে, যা সড়ক নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবির শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ

প্রবাসে মৃত্যুর ২৭ দিন পর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় মরদেহ ফিরল দেশে

07 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

গতিসীমা মেনে চলে মাত্র এক শতাংশ গাড়ি

পোষ্টের সময় : ০৯:৩০:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃত্যু ও দীর্ঘমেয়াদী অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতির অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনা। রাজধানীর উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় রোড ক্র্যাশে মৃত্যুর ৯৫ শতাংশ ঘটছে ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা পারাপারের কারণে, আর মাত্র এক শতাংশ গাড়ি নির্ধারিত গতিসীমায় চলছে।

 

সোমবার ডিএনসিসি সম্মেলন কক্ষে ‘স্ট্যাটাস সামারি রিপোর্ট-২০২৪’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়। ডিএনসিসি ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় গবেষণা সংস্থা যৌথভাবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ডিএনসিসি প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন জানান, ২০২৩ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ২৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

ডা. শিরিন ওয়াধানিয়া বলেন, রিপোর্টকৃত দুর্ঘটনার ৯৫ শতাংশই ঘটে ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা ব্যবহারকারীর কারণে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মাত্র এক শতাংশ যানবাহন নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলে। মোটরসাইকেলের ৫১ শতাংশ গাড়ি নির্ধারিত গতিসীমার বেশি গতিতে চলেছে।

 

ড. সেলিম মাহমুদ চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালে স্পিড লিমিট গাইডলাইন প্রকাশ করেছে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মান অনুযায়ী। হাইওয়ে ও এক্সপ্রেসওয়ের জন্য সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০ কিমি/ঘণ্টা।

 

মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব মুনিরুজ্জামান বলেন, সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত অনেক ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু আমরা সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার করতে পারছি না। সবাইকে নিজের দায়িত্বে এগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশে ২০২১ সালে রোড ক্র্যাশে ৩১,৫৭৮ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার হার দিন দিন বাড়ছে, এবং তথ্য সংগ্রহের তারতম্য ও আন্ডার রিপোর্টিংয়ের কারণে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

 

ডিএনসিসি ও ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিসের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তায় নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ চালানো হচ্ছে, যা সড়ক নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

Share this news as a Photo Card