পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের সদর দপ্তর চট্টগ্রামে শতকোটি টাকার পুরোনো মালামাল ও স্ক্র্যাপ গায়েব করার অভিযোগে বড় ধরনের অনিয়মের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (৫ অক্টোবর) দুদকের চট্টগ্রাম-১ জেলা কার্যালয়ের এনফোর্সমেন্ট টিম হঠাৎ অভিযান চালিয়ে এই অনিয়ম উদঘাটন করে।
দুদকের টিম রেলের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে বিভিন্ন নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছে। এসব রেকর্ডপত্র বিশদভাবে যাচাই-বাছাই শেষে কমিশনের কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। পরবর্তীতে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
মাদারীপুরে দুর্নীতি দমন অভিযান:
একইদিন মাদারীপুর সদর উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে কালভার্ট ও সেতু নির্মাণের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হয়। অভিযান চলাকালে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্য গ্রহণ করা হয় এবং ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রেকর্ডপত্র জব্দ করা হয়।
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অনিয়ম তদন্ত:
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবায় অনিয়ম ও রোগী হয়রানির অভিযোগে দুদকের আরেকটি দল অভিযান চালায়। সেখানে দেখা যায়, হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। রোগীদের খাবার সরবরাহে অনিয়মও ধরা পড়ে। উপস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে বিষয়গুলো জানানো হলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অভিযানে নতুন তথ্য:
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে খুলনা ও রাজশাহী অঞ্চলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকেও পৃথক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র ও প্রমাণাদি সংগ্রহ করা হয়েছে। বিশ্লেষণের পর দুর্নীতির প্রমাণ মেলে কমিশনের নির্দেশে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্টাফ রিপোর্টার 






















